মেধাবীদের দেশেই ধরে রাখতে জীবনমান উন্নয়ন জরুরি : মেয়র শাহাদাত

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) দেশের একমাত্র সিটি করপোরেশন যারা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে নিয়মিতভাবে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে বলে মন্তব্য করেছেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি জানান, বর্তমানে চসিকের অধীনে ৮৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতি মাসে শিক্ষা খাতে ৬ থেকে ৮ কোটি টাকা ব্যয় হলেও এটিকে তিনি ব্যয় নয়, বরং বিনিয়োগ হিসেবে দেখছেন।

বৃহস্পতিবার নগরীর কাজীর দেউড়ি ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে এসএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল অর্জনকারী ৬২৫ জন শিক্ষার্থীর সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মেয়র এসব কথা বলেন।

মেয়র শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে। শুধু মেধা নয়, তাদের দেশেই ধরে রাখতে হলে জীবনমান উন্নয়নে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য চট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি সিটি গড়ে তুলতে চসিক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ (বিপিএম), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহমদ, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, চসিক সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার, সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।
মেয়র শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, দেশের উন্নয়নে মেধাবী শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসতে হবে। শুধু মেধা নয়, তাদের দেশেই ধরে রাখতে হলে জীবনমান উন্নয়নে সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য চট্টগ্রামকে ক্লিন, গ্রিন ও হেলদি সিটি গড়ে তুলতে চসিক নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন, সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজ (বিপিএম), মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বোর্ড চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান প্রফেসর ইলিয়াছ উদ্দিন আহমদ, জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম, চসিক সচিব মোহাম্মদ আশরাফুল আমিন।

স্বাগত বক্তব্য দেন চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাম্মৎ রাশেদা আক্তার, সমাজকল্যাণ ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights