যশোরে আশা হত্যাকাণ্ডের ২২ বছর পর ছোট ভাইকেও খুন
নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর
যশোরের চৌগাছায় ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন আশা হত্যাকাণ্ডের ২২ বছর সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়েছেন তার ছোট ভাই আনিসুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে মারা যান তিনি।
নিহত আনিসুর রহমান (৫৫) চৌগাছার সিংহঝুলী ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে। আনিসুর রহমানের বড় ভাই আশরাফ হোসেন আশা ২০০২ সালের ২৪ জুলাই সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছিলেন। সেসময় তিনি সিংহঝুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও চৌগাছা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।
নিহত আনিসুরের ছোটভাই আশিকুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে আনিসুর রহমান নিজ বাড়ির কাছে জগন্নাথপুর উত্তরপাড়া মোড়ে একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন। চা পান শেষে আনিসুর বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাকে রক্ষা করতে ফুফাতো ভাই আব্দুস সালাম এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে আনিসুরের অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর চারটার দিকে মারা যান তিনি।
নিহতের স্বজনরা জানান, ২২ বছর আগে খুন হওয়া বড় ভাই আশরাফ হোসেন আশা হত্যার আসামিদের হাতেই আনিসুর রহমান হত্যার শিকার হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও রয়েছে বলে জানান তারা।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন-অর-রশিদ বলেন, নিহতের শরীরে একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক মেহেদি হাসান বলেন, আনিসুর রহমান হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু হয়েছে। নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর
যশোরে আশা হত্যাকাণ্ডের ২২ বছর পর ছোট ভাইকেও খুন
যশোরের চৌগাছায় ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন আশা হত্যাকাণ্ডের ২২ বছর সন্ত্রাসীদের হাতে খুন হয়েছেন তার ছোট ভাই আনিসুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার রাতে সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার ভোরে মারা যান তিনি।
নিহত আনিসুর রহমান (৫৫) চৌগাছার সিংহঝুলী ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে। আনিসুর রহমানের বড় ভাই আশরাফ হোসেন আশা ২০০২ সালের ২৪ জুলাই সন্ত্রাসী হামলায় নিহত হয়েছিলেন। সেসময় তিনি সিংহঝুলী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও চৌগাছা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ছিলেন।
নিহত আনিসুরের ছোটভাই আশিকুর রহমান জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে আনিসুর রহমান নিজ বাড়ির কাছে জগন্নাথপুর উত্তরপাড়া মোড়ে একটি চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন। চা পান শেষে আনিসুর বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সন্ত্রাসীরা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। তাকে রক্ষা করতে ফুফাতো ভাই আব্দুস সালাম এগিয়ে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকেও কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে আনিসুরের অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাতেই তাকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোর চারটার দিকে মারা যান তিনি।
নিহতের স্বজনরা জানান, ২২ বছর আগে খুন হওয়া বড় ভাই আশরাফ হোসেন আশা হত্যার আসামিদের হাতেই আনিসুর রহমান হত্যার শিকার হয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের বেশ কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শীও রয়েছে বলে জানান তারা।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন-অর-রশিদ বলেন, নিহতের শরীরে একাধিক স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
চৌগাছা থানার উপপরিদর্শক মেহেদি হাসান বলেন, আনিসুর রহমান হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত ও গ্রেফতার করতে অভিযান শুরু হয়েছে।
