শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গঠনে বিডিটাস্ক–ইউসিবিডি অংশীদারিত্ব

অনলাইন ডেস্ক

তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বাড়ানো ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি করতে বৈশ্বিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান বিডিটাস্কের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি করেছে ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে ইউসিবিডির শিক্ষার্থীরা কাঠামোবদ্ধ আইটি প্রশিক্ষণ, অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের পরামর্শ এবং ব্যবহারিক কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবেন।

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানে ইউসিবিডি ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয়। ইউসিবিডির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানের চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত এবং বিডিটাস্কের পক্ষে স্বাক্ষর করেন এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মোহাম্মদ তারেক।

চুক্তির আওতায় ইউসিবিডির শিক্ষার্থীরা লাইভ আইটি প্রজেক্টে ইন্টার্নশিপ করার সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি পড়াশোনা শেষে চাকরি পেতে সহায়তা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বর্তমান চাহিদা অনুযায়ী পেশাগত প্রশিক্ষণ পাবেন তারা।

এ ছাড়া খাতসংশ্লিষ্ট অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের নেতৃত্বে জ্ঞান-বিনিময় সেশনে অংশ নেওয়া এবং সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ থাকবে শিক্ষার্থীদের জন্য। এসব উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক জ্ঞানের পাশাপাশি বাস্তবমুখী দক্ষতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুষ্ঠানে ইউসিবিডির চিফ অপারেটিং অফিসার কিংশুক গুপ্ত বলেন, বিডিটাস্কের মতো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সরাসরি যুক্ত করার লক্ষ্য হলো শ্রেণিকক্ষ থেকে কর্মক্ষেত্রে যাওয়ার বাস্তব পথ তৈরি করা। বাস্তব অভিজ্ঞতার অভাবে অনেক মেধাবী স্নাতক প্রথম চাকরিতে সমস্যায় পড়েন। এই অংশীদারিত্ব সেই ব্যবধান কমাতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও বলেন, নিয়োগকর্তারা এখন কেবল ডিগ্রি নয়, প্রমাণিত দক্ষতাকে গুরুত্ব দেন। প্রকল্পভিত্তিক কাজের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্র সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক গড়ে তুলতে পারবেন।

বিডিটাস্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামস মোহাম্মদ তারেক বলেন, শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই প্রতিভা লালন করা জরুরি। এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের পেশাগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সহায়তা করা যাবে এবং একই সঙ্গে দেশের প্রযুক্তিখাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, এই অংশীদারিত্বের ফলে শিক্ষার্থীরা বাস্তবভিত্তিক আইটি অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎমুখী ক্যারিয়ার গঠনের সুযোগ পাবেন। পাশাপাশি শিল্প ও শিক্ষাক্ষেত্রের এমন যৌথ উদ্যোগ দেশের শিক্ষা ও প্রযুক্তি ইকোসিস্টেমের বিকাশে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights