শীতের আমেজ
স্পর্শ বনিক
পান্তামুখীর কিচিরমিচিরে দুঃখ যাচ্ছি ভুলে।
শীতের সূয্যি উষ্ণ লালসা দেখায় বাইরে গেলে।
খোলা পিঠার গন্ধে আমার ক্ষুধার মানিক জ্বলে।
মা আমার চাওয়ার সাথেই হাতে দেয় তা তুলে।
কুয়াশা চাদর মুড়িয়ে মেঘ ধীরজ ভাবে দোলে।
দূরের সেই শূন্য গাছটা কি জানি কি বলে?
পাতিহাঁসটা ডুব মেরেছে নানুয়া দিঘীর জলে।
দীঘির জল ও পরেছে ভাই শীতের কবলে।
বিভীষিকাময় জীবন আমার কূর্মের মতো চলে।
অপূর্নতার কাব্য আমায় বিরহের কথা বলে।
দিবা-রজনী থাকি আমি ভাই ব্যার্থ লোকের দলে।
সফলতার পরস পাবো কোথায় আমি গেলে?
স্বপ্ন মোর ধুয়াসা ভরা কুয়াশা চাদর তুলে।
শীতের বায়ুর সাথে সাথে মোর জীবন খানাও দোলে।
পরাজয়ে দেয় ধিক্কার লোকে শুধুই দলে দলে।
ব্যঙ্গ করে সেই লোকেরাই আমি জয়ী হলে।
