সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষার্থীদের ১৩ দফা দাবি

অনলাইন ডেস্ক

একাডেমিক অধিকার, মানসম্মত শিক্ষা ও আধুনিক উচ্চশিক্ষার সুযোগ নিশ্চিতে ১৩ দফা দাবি জানিয়েছেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (ডিসিইউ) শিক্ষার্থীরা। রবিবার দুপুরে ঢাকা কলেজের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তারা এসব দাবি তুলে ধরেন।

দাবি তুলে ধরে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী নাঈম হাওলাদার বলেন, ১. সাত কলেজের সমন্বয়ে নবপ্রতিষ্ঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির জন্য ‘বিশ্ববিদ্যালয় উপযোগী’ শিক্ষকের ব্যবস্থা করতে হবে। একইসঙ্গে বিদ্যমান শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

২. ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির আওতায় ইতোমধ্যে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের একাডেমিক অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। গণস্বাক্ষরের যে ফল ইতোমধ্যে সামনে এসেছে তা প্রজ্ঞাপন আকারে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ করতে হবে।

ফল প্রকাশের পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চলমান ব্যাচগুলোর অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

৩. ডিজিটাল লার্নিং রিসোর্স, ই-জার্নাল, ই-বুক ও ডেটাবেসে সবার সমান অ্যাক্সেস দিতে হবে; ৪. বিষয়ভিত্তিক প্রয়োজনে বাংলা ও ইংরেজি- উভয় ভাষায় পাঠদান ও উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ রাখতে হবে; ৫. বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও সংশ্লিষ্ট বিভাগের জন্য আধুনিক ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

৬. বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও পর্যাপ্ত পরিবহন ব্যবস্থা চালু ও সম্প্রসারণ করতে হবে। অনতিবিলম্বে প্রত্যেকটি ক্যাম্পাসের জন্য ০২টি করে বাস বরাদ্দ করতে হবে; ৭. ঢাকার বাইরের ও আবাসনহীন শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ও নিরাপদ আবাসন ব্যবস্থা করতে হবে; ৮. গবেষণাবান্ধব পরিবেশ, অবকাঠামো ও শিক্ষার্থী-শিক্ষকের গবেষণায় অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে; ৯. শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের গবেষণার জন্য নিয়মিত ও পর্যাপ্ত গবেষণা তহবিল চালু করতে হবে; ১০. বাস্তবসম্মত একাডেমিক ক্যালেন্ডার মেনে সময়মতো ক্লাস, পরীক্ষা, ফলপ্রকাশ ও অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

১১. ধারাবাহিক মূল্যায়ন ও মানোন্নয়নে কার্যকর ডুয়াল পরীক্ষা পদ্ধতি চালু ও পরীক্ষার কাঠামো স্পষ্ট করতে হবে; ১২. ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই সাতটি ক্যাম্পাসে যুগোপযোগী এবং বিষয় সংযোজন করতে হবে; ১৩. সাতটি ক্যাম্পাসের দূরত্ব বিবেচনায় নিয়ে রাজধানীর উপযুক্ত স্থানে দ্রুত একটি টিএসসি (ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র) নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। ক্যাম্পাসের পাশাপাশি টিএসসি কেন্দ্রিক খেলাধুলা, বিতর্ক, সাংস্কৃতিক কাজ, ক্লাব ও স্বেচ্ছাসেবাসহ নানা সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights