‘স্বৈরাচারের শেষ সময়ে ১৮ মাস জেলে ছিলেন মুছাব্বির’
অনলাইন ডেস্ক
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় আনোয়ার হোসেন নামের আরেকজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) রাত ৮টার কিছু পরে রাজধানীর ফার্মগেটে স্টার হোটেলের সামনে গুলির ঘটনাটি ঘটে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের এডিসি ফজলুল করিম বলেন, স্টার কাবাবের পাশের ওই গলিতে দুইজনকে গুলি করা হয়েছে। এদের একজন মারা গেছেন। তাদের বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আজিজুর রহমান মুছাব্বিরের এক সতীর্থ সহযোদ্ধা ঘটনাস্থলে কান্নাজড়িত কণ্ঠে স্মৃতিচারণ করতে থাকেন।
তিনি বলেন, ২০২২ সালের ৭ ডিসেম্বর পল্টন পার্টি অফিসে হামলায় আমাদের এক সহযোদ্ধা গুলিবিদ্ধ হন। পরেরদিন ৮ ডিসেম্বর তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে, তাকে রক্ত দিতে গিয়ে উত্তরা মেডিক্যাল কলেজ থেকে আমাকে ও আজিজুর রহমান মুছাব্বির ভাইকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। সেই সময় একটানা ১৮ মাস জেলে খেটে তিনি ফ্যাসিবাদ পতনের পর বের হয়েছেন। আমার এই সহযোদ্ধাকে ঢাকা মহানগর সাধারণ সম্পাদকের পদটিও হারাতে হয়েছে দীর্ঘ কারাবরণের কারণে।
তিনি আরো বলেন, আমার সহযোদ্ধা ১৮ মাস জেল খাটার পর বের হয়েছেন, এত নির্যাতন-নিপীড়নের পর এখন যদি স্বৈরাচার পতনের পর এই দেশে সন্ত্রাসীদের গুলিতে আজিজুর রহমান মুছাব্বির ভাইয়ের মতো ব্যক্তিদের মৃত্যুবরণ হয়।
ওই সতীর্থ বলেন, আমাদের এখন মনে হয়, আমরা সবাই সন্ত্রাসীদের টার্গেটে আছি। আমরা এরকম রাষ্ট্রব্যবস্থা চাইনি।
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে গুলি করে হত্যা
