হরমুজে তেলবাহী জাহাজে এখনই পাহারা দিতে প্রস্তুত নয় যুক্তরাষ্ট্র
হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে এখনই সামরিক পাহারা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনী প্রস্তুত নয়। এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী ক্রিস রাইট।
তিনি বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর মূল মনোযোগ ইরানের আক্রমণাত্মক সামরিক সক্ষমতা এবং সেই সক্ষমতা জোগান দেওয়া শিল্প অবকাঠামো ধ্বংস করার ওপরই কেন্দ্রীভূত।
সিএনবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, এটি তুলনামূলকভাবে শিগগিরই সম্ভব হবে, কিন্তু এখনই নয়। আমরা এখনো প্রস্তুত নই। আমাদের সব সামরিক সম্পদ বর্তমানে ইরানের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ধ্বংসে নিয়োজিত।
তিনি জানান, চলতি মাসের শেষ নাগাদ নৌবাহিনী তেলবাহী জাহাজকে নিরাপত্তা দেওয়ার মতো অবস্থায় যেতে পারে। বিষয়টি নিয়ে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা চলছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ইরান ইতোমধ্যে সতর্ক করেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে সম্ভাব্য শত্রু মনে করা পক্ষের এক ফোঁটা তেলও পরিবহন করতে দেওয়া হবে না। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কিছুদিন আগে বলেছিলেন, হরমুজ প্রণালি পার হতে চাওয়া জাহাজ মার্কিন বাহিনীর সহায়তা পাবে।
তবে এখন পর্যন্ত মার্কিন নৌবাহিনী ওই প্রণালিতে সরাসরি সামরিক পাহারা দেওয়ার পরিকল্পনা কার্যত নাকচ করেছে।
এদিকে প্রশ্ন উঠেছে, বাণিজ্যিক জাহাজগুলো আদৌ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করতে চাইবে কি না। কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে বিমা থেকে পর্যাপ্ত ক্ষতিপূরণ পাওয়া নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান জ্বালানি সংকটের প্রভাব যুক্তরাষ্ট্রের ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে শুরু করেছে। বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রতি ব্যারেল প্রায় ১০০ ডলারের কাছাকাছি লেনদেন হচ্ছে, যা ভোক্তাদের উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
