৪ নং ওয়ার্ডে সবার মুখে মুখে ওবায়দুর রহমান রিপন মাতব্বর

আসন্ন গাজীপুর সিটিকর্পোরেশন নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে আছে কে? এই প্রশ্নে সকলের মুখে একটা নাম বেরিয়ে আসে, সেই নামটি হলো ওবায়দুর রহমান রিপন মাতব্বর । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যবসায়ী বলেন, ইতিমধ্যে ওবায়দুর রহমান রিপন মাতব্বর সকলের কাছ থেকে একটি উপাধী কুড়িয়ে নিয়েছেন, সেটি হলো সৎ,সাহসী, ন্যায় বিচারক ও গরীবের বন্ধু এবং দান বীর।
চায়ের দোকানদার থেকে শুরু করে মসজিদের ইমাম পর্যন্ত সব জায়গায় একটি আলোচনা, এবারের নির্বাচন আগের মতো সহজ হবে না। মানুষ এবার হিসাব নিকাশ করে যোগ্য প্রার্থী ওবায়দুর রহমান রিপন মাতব্বর কে বেছে নেবে। চায়ের আড্ডায় বসে লোকেরা আলোচনা করে, এবার আমরা এমন প্রার্থী কে ভোট দিব যাকে সব সময় আপদ বিপদে পাশে পাওয়া যায়।
ইতিমধ্যে আসন্ন গাজীপুর সিটিকর্পোরেশনের নির্বাচনকে সামনে রেখে, এলাকার প্রত্যেক মানুষের সাথে পরামর্শ, দেখা সাক্ষাৎ, কৌশল বিনিময়,আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ওবায়দুর রহমান রিপন মাতব্বর সবার কাছে একটি আবেদনই করেন ২০১৩ সালে সিটিকর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর, আপনারা দুই জনকে কাউন্সিল বানিয়ে পরীক্ষা নিয়ে দেখেছেন। এবার আমাকে সুযোগ দিয়ে দেখুন। আমি আপনাদের ভাই, আপনাদের সন্তান। আমার দাদা আব্দুল গফুর মাতব্বর এই এলাকার দীর্ঘদিন যাবৎ মেম্বার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন। আমি আমার দাদার অসমাপ্ত কাজগুলো করতে চাই। আপনারা চাইলে আমার দ্বারা যে কোন কাজ সহজে করিয়ে নিতে পারবেন।
ইতিমধ্যে ওবায়দুর রহমান রিপন মাতব্বর বিভিন্ন পাড়া, মহল্লায় উঠান বৈঠক শুরু করেন। সারদাগঞ্জ পশ্চিম অঞ্চলের জনসাধারণের সাথে উঠান বৈঠকে, প্রধান অতিথি বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি ছাত্র জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতি করে আসছি। আমি যুবলীগের রাজনীতি করেছি। কাশিমপুর ইউনিয়নের ছাত্র লীগের সভাপতি ছিলাম। আমাদের প্রিয় লিডার গাজীপুর -১ আসনের এমপি, মুক্তি যুদ্ধ বিষয় ক মন্ত্রী এ্যাড আলহাজ্ব মোঃ মোজাম্মেল হক সাহেবর আর্শীবাদ পুষ্ট হয়ে, আপনাদের দোওয়া ও সমর্থন পাইলে ৪ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর নির্বাচন করতে চাই।
ওবায়দুর রহমান রিপন মাতব্বর আরও বলেন, আপনারা আমার কাছে যখন যেই বিষয়ে নিয়ে এসেছেন, আমি আমার সাধ্য মতো আপনাদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। আল্লাহ চাহেতো কেউ বলতে পারবেন না আমার কাছে আসার পর কোন সহযোগিতা পাননি। আল্লাহর রহমতে আমি যদি এবার নির্বাচীত হতে, গাজীপুর মহানগরের ৫৭ টি ওয়ার্ডের মধ্যে আমি ৪ নং ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ও মডেল ওয়ার্ডে পরিনত করবো।
সারদাগঞ্জ গ্রামের মাতব্বর পাড়ার চিলড্রেন হোম স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোঃ শরীফ হোসেন ” মুক্ত বলাকাকে” বলেন, রিপন ভাই একজন শিক্ষা অনুরাগী মানুষ। এমন কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই, যেখানে রিপন ভাইয়ের পদ চাড়না নেই। তিনি বলেনছেন,আমি যদি নির্বাচীত হতে পারি তাহলে প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে একটুও করে মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রূম করে দিব।
কাশিমপুর ইমাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাইফুল ইসলাম পাঠান বলেন, রিপন সাহেব একজন ইসলাম প্রিয় মানুষ। সারদাগঞ্জের এমন কোন মসজিদ মাদ্রাসা নেই যেখানে এক/ দুই লক্ষ টাকা দান করেন নাই।
মরহুম রফিকুল ইসলাম রফিক কাউন্সিলরের বড় আবুল কাশেম বলেন, গত কয়েক দিন আগে আমার ভাই রানিং কাউন্সিলর থাকা অবস্থায় মারা গিয়েছেন। আমার ভাই মৃত্যুকালে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ রেখে যান। কাউন্সিলর প্রার্থী রিপন সাহেব আমার ভাইয়ের ঋন পরিশোধের জন্য পাঁচ লক্ষ টাকা সহযোগিতা করেন এবং আমার ভাতিজার ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত লেখা পড়ার দায়িত্ব নেন।
সারদাগঞ্জ পশ্চিম পাড়ার ক্বারী আব্দুর রহমান বলেন, রিপন সাহেব আমাদের জলাবদ্ধতা দেখে পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং চলাচলের জন্য নিজ খরচে ইট -সলিং রাস্তা করে দেন।
ওবায়দুর রহমান রিপন মাতব্বরের নিকট আগামী নির্বাচন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আল্লাহর মেহেরবানীতে আমার কোন অর্থনৈতিক পিছু টান নেই। আমি যদি কাউন্সিলর হতে পারি আমি সিটি কর্পোরেশন মাসিক বেতন নিবনা বরং সেই টাকা দিয়ে প্রতি বছর এই এলাকার দুই একজন ইমাম / আলেম/ ধর্ম প্রাণ মুসলমানকে পবিত্র হজ্জে পাঠবো। আপনারা আমার জন্য দোওয়া করবেন আল্লাহ পাক যেন আমাকে আগামী নির্বাচনে ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে কবুল করেন। যাতে করে আমি আমার দাদার অসম্পূর্ণ কাজকে সম্পূর্ণ করতে পারি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights