খেলাপি ঋণ আদায়ে বেসরকারি সংস্থা

ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ

ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ডের (আইএমএফ) এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরে এসেছিল। তাদের এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ এবং বাংলাদেশের অনুরোধ করা ঋণপ্রস্তাবের শর্তাবলি নির্ধারণ। সফর শেষে সংস্থাটি তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রাজস্ব আদায়, ব্যাংকিং খাতের সংস্কার ও উচ্চ মূল্যস্ফীতি রীতিমতো চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করে চলেছে। সরকার যদি এসব সমস্যা সমাধানে কার্যকর এবং উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণে ব্যর্থ হয়, তাহলে চলতি অর্থবছরে (২০২৬-২৭) জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার সাড়ে ৩ শতাংশের নিচে নেমে যেতে পারে। স্মর্তব্য, বাজেটে চলতি অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ দশমিক ৫ শতাংশ। আইএমএফ বিশেষ করে ব্যাংকিং সেক্টরের বিদ্যমান পর্বতপ্রমাণ খেলাপি ঋণের হার নিয়ে শঙ্কা এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া সর্বশেষ পরিসংখ্যান মোতাবেক, গত মার্চ কোয়ার্টারে দেশের ব্যাংকিং সেক্টরে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ৫ লাখ ৮৮ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। এটা মোট প্রদত্ত ঋণের ৩২ দশমিক ২৬ শতাংশ। আগের কোয়ার্টারের তুলনায় খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ৩১ হাজার ৪৮৭ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক খেলাপি ঋণের যে পরিমাণ উল্লেখ করেছে, তা প্রদর্শিত খেলাপি ঋণের পরিমাণ। এর বাইরেও নানা প্রক্রিয়ায় বিপুল পরিমাণ খেলাপি ঋণ আড়াল করে রাখা হয়েছে। যেমন ৮৩ হাজার ৪৭৯ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ অবলোপনের মাধ্যমে ব্যাংকের মূল লেজার থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। বিশেষ সুবিধার আওতায় খেলাপি ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলিকরণের মাধ্যমে ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৯১ কোটি টাকা নিয়মিত দেখানো হয়েছে। এ ছাড়া মামলাধীন প্রকল্পসমূহের কাছে ব্যাংকগুলোর দাবিকৃত পাওনার পরিমাণ ১ লাখ ৭৭ হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ব্যাংকিং সেক্টরের ঝুঁকিপূর্ণ ঋণের পরিমাণ ১১ লাখ কোটি টাকারও বেশি। এটা ব্যাংকিং সেক্টরের মোট অনুমোদিত ও ছাড়কৃত ঋণের প্রায় ৬০ শতাংশ। ব্যাংকের মোট মঞ্জুরি এবং ছাড়কৃত ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা।

অনেক দিন ধরেই আইএমএফ ব্যাংকিং সেক্টরের খেলাপি ঋণ আদায়ে উপযুক্ত এবং কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি চাপ দিয়ে আসছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সরকার খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য ব্যক্তিমালিকানাধীন সংস্থা গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য ব্যক্তিমালিকানাধীন সংস্থা গঠনের নজির থাকলেও বাংলাদেশে এবারই প্রথম এমন একটি উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। বিশে^ এক শর বেশি দেশে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট বা লোন রিকভারি এজেন্সির মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১৯৮০ এবং ১৯৯০-এর দশকে বিশ্বব্যাপী সৃষ্ট সংকটকালে যুক্তরাষ্ট্র লোন রিকভারি এজেন্সি বা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায়ের উদ্যোগ গ্রহণ করে এবং তারা এ ক্ষেত্রে চমৎকার সাফল্য অর্জন করে। যুক্তরাষ্ট্রের দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে বিশে^র অনেক দেশ এই প্রক্রিয়ায় খেলাপি ঋণ আদায়ের উদ্যোগ গ্রহণ করে সফল হয়েছে। এমনকি প্রতিবেশী দেশ ভারতও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি গঠনের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেক্টরের খেলাপি ঋণ যৌক্তিকভাবে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। ভারত অবশ্য রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে ন্যাশনাল অ্যাসেট রিকভারি কোম্পানি লিমিটেড গঠন করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৯৭ সালে এবং চীন ১৯৯৯ সালে এ ধরনের অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি গঠন করে। থাইল্যান্ডেও অনুরূপ কোম্পানি রয়েছে। তারা খেলাপি ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে সাফল্য প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ বিলম্বে হলেও খেলাপি ঋণ আদায়ের লক্ষ্যে বাস্তবসম্মত উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে। তবে সরকার কতটা আন্তরিকতার সঙ্গে এই আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে তার ওপর সফলতা-ব্যর্থতা নির্ভর করছে।

সাধারণত ব্যক্তি খাতে গড়ে ওঠা অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি বা লোন রিকভারি এজেন্সিগুলো দুভাবে কাজ করে। সরকার নির্দিষ্ট কাঠামোর আওতায় ব্যাপক আইনি ক্ষমতা প্রদানের মাধ্যমে প্রথমেই কোম্পানিগুলোকে ক্ষমতায়িত করে। তারপর তারা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে খেলাপি ঋণ কিনে নেয়। যেমন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে হয়তো ১ কোটি টাকা ঋণ খেলাপি হয়ে আছে। এজেন্সি সেই ঋণ হয়তো ৫০ লাখ টাকা দিয়ে কিনে নেবে। তারপর তাদের নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ঋণের কিস্তি আদায়ের চেষ্টা চালাবে। এজন্য তাদের আইনি সহায়তাসহ আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদেরও সার্বিক সহায়তা দিতে হবে। কোম্পানি ঋণখেলাপি কোম্পানি বা ব্যক্তির কাছ থেকে কীভাবে ঋণের কিস্তি আদায় করবে, এটা সম্পূর্ণ তাদের এখতিয়ার। তারা নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে ঋণের কিস্তি আদায়ের চেষ্টা করবে। তা সম্ভব না হলে আইনের আশ্রয় নেবে। যে খেলাপি ঋণ বিক্রি করা হবে, তা নিয়ে ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কোনো দায় থাকবে না। তবে আদায়কারী সংস্থা যদি ব্যাংকের কোনো সহায়তা চায়, ব্যাংক তা প্রদান করবে।

দ্বিতীয়ত ব্যাংক কমিশন ভিত্তিতে লোন রিকভারি এজেন্সি নিয়োগ দিতে পারে। সে ক্ষেত্রে আগ্রহী কোম্পানি ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণখেলাপি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করবে। পরবর্তী সময়ে তারা ব্যাংকের পক্ষ থেকে বা ব্যাংকের প্রতিনিধি হিসেবে ঋণখেলাপিদের ওপর চাপ সৃষ্টি বা আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে ঋণের কিস্তি আদায় করবে। কোম্পানিগুলো যে পরিমাণ খেলাপি ঋণ আদায় করতে সক্ষম হবে, তার ওপর ভিত্তি করে নির্দিষ্ট হারে কমিশন লাভ করবে। এই দুই পদ্ধতির মধ্যে বাংলাদেশের জন্য কোনটি অধিক গ্রহণযোগ্য হবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যায় না। তাই পরীক্ষামূলকভাবে দুটি পদ্ধতি একই সঙ্গে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।

লোন রিকভারি এজেন্সিগুলোকে সঠিকভাবে কাজ করতে দেওয়ার জন্য বিশেষ কিছু উদ্যোগ নিতে হবে। খেলাপি ঋণগুলো যেহেতু দীর্ঘদিন অনাদায়ি রয়ে গেছে, তাই তা আদায়ের জন্য রিকভারি এজেন্সিগুলোকে আইনের আশ্রয় নিতে হতে পারে। ঋণখেলাপিদের অনুরোধ করে কিস্তি আদায় করা যাবে-এটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। অর্থঋণ আদালত আইন সংশোধন করে তাকে আরও কার্যকর করতে হবে। অর্থঋণ আদালতকে শক্তিশালী এবং বিস্তর ক্ষমতায়িত করতে হবে। প্রয়োজনীয়সংখ্যক বিচারক নিয়োগ দিতে হবে। অর্থঋণ আদালত আইনে এমন একটি ধারা সংযোজন করা যেতে পারে যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ঋণখেলাপির অভিযোগে মামলা দায়ের করার পর সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে তার বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে। কোনোভাবেই বারবার মামলার তারিখ পেছানো যাবে না।

উদ্দেশ্যবিদ্যমান অবস্থায় ঋণখেলাপিদের অধিকাংশই আশা করে- ব্যাংক যেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। কারণ মামলা দায়ের করা হলে, বারবার তারিখ পিছিয়ে নিরাপদে থাকা যায়। ব্যাংক মামলাধীন প্রকল্পের উদ্যোক্তাদের ওপর ঋণের কিস্তি পরিশোধের জন্য চাপ দেয় না। মামলাধীন প্রকল্পে মালিকরা রিল্যাক্স অবস্থায় থাকতে পারেন। মামলা দায়ের হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে অর্থঋণ আদালত তাঁর সুচিন্তিত রায় প্রদান করবেন। অর্থঋণ আদালত খেলাপি ঋণসংক্রান্ত মামলার ব্যাপারে দুই ধরনের রায় দিতে পারেন। প্রথমত আদালত নির্দিষ্ট করে দেবেন কত দিনের মধ্যে ব্যাংকের পাওনা পুরো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করবে। তা করতে না পারলে তার প্রকল্পের বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রি করে ব্যাংকের পাওনা অর্থ আদায় করা হবে। বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রি করে যদি ব্যাংকের পাওনা আদায় না হয়, তাহলে ঋণ গ্রহীতার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে ব্যাংকের পাওনা আদায় করতে হবে।

বন্ধকিকৃত সম্পত্তি বিক্রি করে ঋণের অর্থ আদায়ের সম্ভাবনা কম। কারণ যাঁরা ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি, তাঁরা ঋণ গ্রহণের সময় নানাভাবে ব্যাংক কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করে বন্ধকিযোগ্য সম্পত্তির ‘ওভার ভ্যালুয়েশন’ করিয়ে নেন। ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা ঋণদানের সুপারিশ করার আগে বন্ধকিযোগ্য সম্পদের ভ্যালুয়েশন করে থাকেন, তাঁদেরও জবাবদিহির আওতায় আনা যেতে পারে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা যদি চাকরিতে বহাল থাকেন, তাঁকে ওভার ভ্যালুয়েশনের দায়ে চাকরিচুত করা যেতে পারে। আর যদি ওই কর্মকর্তা অবসরে চলে যান, তাহলে তাঁর পেনশন বেনিফিট আটকে দেওয়া যেতে পারে। ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যাংকের ক্ষেত্রে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সম্পত্তি বিক্রি করে হলেও খেলাপি ঋণ আদায় করতে হবে।

ব্যক্তিমালিকানাধীন এজেন্সির মাধ্যমে খেলাপি ঋণ আদায় কার্যক্রম সফল করতে হলে বর্তমানে যেসব ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ঋণ হিসাব অবলোপন, ঋণ হিসাব পুনঃ তফসিলীকরণের মাধ্যমে নিজেদের ঋণখেলাপিমুক্ত দেখাচ্ছে, তাদের এই সুবিধা বাতিল করা যেতে পারে। তাদের বলা যেতে পারে, আপনাদের সুবিধা বাতিল করা হলো। আগামী তিন মাসের মধ্যে পুরো ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে হবে। অন্যথায় আপনার প্রকল্প বিক্রি করে ঋণকৃত অর্থ আদায় করা হবে।

আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ইউনিট জানিয়েছে, পতিত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্যসহ ১০টি শিল্পগোষ্ঠীর আওতায় দেশে-বিদেশে ৭৬ হাজার কোটি টাকা জব্দ করা হয়েছে। ব্যাংক লুটেরাসহ আর্থিক দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কার্যকর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের এখনই সময়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে-সরকার কী সে ধরনের উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহী? সরকারের প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় বা আনুকূল্য না পেলে কোনোভাবেই আর্থিক দুর্বৃত্তরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে পারে না। তাই সরকার যদি ঋণখেলাপি বা আর্থিক দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে নির্মোহভাবে ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হয়, তার দায়ভার সরকারকেই বহন করতে হবে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সাধারণ মানুষের টাকা নিয়ে ব্যবসা করে। তাই জনগণের অর্থ নিয়ে কাউকেই ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া যাবে না। ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য শাস্তির প্রস্তাবগুলো অত্যন্ত কঠিন এবং নির্মম মনে হলেও তাদের বিরুদ্ধে এমন ব্যবস্থাই নিতে হবে। যারা অনৈতিকভাবে অর্থ উপার্জন ও ব্যবহার করেন, তাদের কাছে অর্থই সবচেয়ে কাক্সিক্ষত বস্তু। তারা মনে করেন, ‘মানি ইজ দ্য সেকেন্ড গড।’ আর্থিক দুর্বৃত্তদের জেলে বন্দি করলে তাদের কোনো ক্ষতি হয় না। কারণ তারা তো তাদের উপার্জিত সম্পদ ভোগ করতে পারেন। ঋণখেলাপি ও আর্থিক দুর্বৃত্তদের যদি সম্পদশূন্য করে দেওয়া যায় কেবল তাহলেই তাদের উচিত শিক্ষা হবে।

ব্যাংকিং সেক্টরে কর্মরত যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল সম্পদ কামিয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধেও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে যাঁরা ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণ করার পর নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করেন, তাঁদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করতে হবে। বাজারে ঋণের সুদের হার যদি ১৪ শতাংশ হয়, তাহলে নিয়মিত ঋণের কিস্তি পরিশোধকারীদের ক্ষেত্রে সুদের হার ১০ বা ১১ শতাংশ হতে পারে। একজন ঋণ গ্রহীতা ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহণের পর এক থেকে দেড় বছর যদি নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করেন, তাহলে পরবর্তী সময় থেকে তাদের সুদের হার কমিয়ে দেওয়া যেতে পারে।

♦ লেখক : সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights