ড. ইউনুসের অর্থপাচার এবং আর্থিক দুর্নীতি ও অন্যান্য অপরাধ
‘শান্তিতে নোবেল জয়ী’ ড. ইউনুসের অবিশ্বাস্য অর্থপাচার ও নানা আর্থিক দুর্নীতি এবং অন্যান্য অপরাধের সুনির্দিষ্ট ও বিস্ময়কর তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেছে। এই অর্থ পাচার ও দুর্নীতি কতটা ভয়াবহ তার সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ সহ বিবরণ শুনলে যে কারো চোখ ছানাবড়া হবে। ড. ইউনুস এদেশের মানুষের কাছ থেকে আদায় করা হাজার হাজার কোটি টাকা কিভাবে বিদেশে পাচার করে আসছেন, সেটি সুনির্দিষ্ট ভাবে প্রকাশ না করলে জাতির প্রতি এক বড় অবিচার হবে। এছাড়া তিনি গ্রামীণ ব্যাংক, গ্রামীণ টেলিকম সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কিভাবে শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন সেই তথ্য সকলের জানা দরকার। দেশের এই অর্থ সম্পদ বিদেশে পাচার করা যে কতটা ভয়ংকর দেশবিরোধী কাজ এবং একমাত্র দেশের শত্রু ছাড়া এ কাজ কেউ করতে পারে না, এই কথা সবাই জানেন। দেশের আদালতে দায়ের করা বেশ কিছু মামলার রায় নিজের পক্ষে আনার জন্য বিচারক এবং কিছু সরকারি কর্মকর্তাকে ঘুষ দেয়ার অপরাধ দালিলিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া ড. ইউনুস পরিচালিত সকল প্রতিষ্ঠানে মধ্যযুগীয় কায়দায় শ্রমিক অধিকার লঙ্ঘন সহ শ্রমিক কর্মচারীদের মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ তাদের উপরে নানা ধরনের নিপীড়নমূলক কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে। তাঁর পরিচালিত প্রতিষ্ঠান সমুহে রয়েছে স্বেচ্ছাচারিতা, প্রতিনিয়ত আইনের লঙ্ঘন এবং নানা ধরনের তুঘলকি কাণ্ড।
আমাদের বিশ্বাস তার এই ভয়াবহ অর্থপাচার, দুর্নীতি ও অন্যান্য অপরাধ এবং শ্রমিক অধিকার মূলক মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্য প্রকাশিত হলে মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সু চির মত তারও নোবেল পুরস্কার বাতিলের দাবি উত্থাপিত হবে সারা পৃথিবীতে। সামাজিক ব্যবসার নামে তিনি দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন এবং সেই টাকা দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত নামে বিভিন্ন দেশে সম্পদ ক্রয় সহ নানা রমরমা ব্যবসা করছেন। এর কিছু অংশ বিদেশে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ বিরোধী কাজে লবিস্টের পিছনে ঢেলেছেন। এইসব তথ্য প্রকাশিত হলে সবাই শান্তিতে নোবেল পাওয়া এই ব্যক্তির প্রতি ধিক্কার জানাবে।
১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে গ্রামীণ টেলিকম তথা গ্রামীণফোনের লাইসেন্স গ্রহণ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। লাইসেন্স গ্রহণের পূর্বে তিনি সরকারের কাছে অঙ্গীকার করেছিলেন গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য তিনি গ্রামীণফোনের লাইসেন্স নিতে চাচ্ছেন। অঙ্গীকার করেছিলেন কোন মুনাফার জন্য নয় বরং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে সেবা প্রদানই হবে এই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য।
মূলত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবে গ্রামীন টেলিকমের লাইসেন্স দেয়া হয়েছিল। লাইসেন্স গ্রহণকালে দেশের দরিদ্র মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের অঙ্গীকার করলেও ড. ইউনুস শুধু নিজের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য যা যা করণীয় তার প্রতিটিই করেছেন। দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে গ্রামীণফোনের অধিকাংশ শেয়ার বিদেশী কোম্পানীর হাতে তুলে দিয়েছেন। অনেকেই মনে করেন এর বিনিময়েই পরবর্তীতে তিনি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। ড. ইউনুসের কারণেই প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা মুনাফা হিসেবে নিয়ে যাচ্ছে নরওয়েজিয়ান কোম্পানি টেলিনর।
গ্রামীণ টেলিকম বর্তমানে গ্রামীণফোনের ৩৪.২০ শতাংশ শেয়ারের অংশীদার যার মাধ্যমে গ্রামীন টেলিকম প্রতিবছর গ্রামীণফোন থেকে
