দুবাইয়ের জনপ্রিয় গ্লোবাল ভিলেজে কেনাকাটায় ব্যাপক ছাড়

অনলাইন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজে কেনাকাটায় ক্রেতাদের আকৃষ্ট করতে ব্যাপক ছাড় ও বিশেষ অফার দিচ্ছে বিক্রেতারা। ৫১ দিন বন্ধ থাকার পর দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ ফের চালুর পর ক্রেতাদের আকর্ষণ করতে এমন ছাড় ও বিশেষ অফার চলছে, যাতে করে সিজনের শেষের দিকে বিক্রি বাড়ে।

দুবাইয়ের গ্লোবাল ভিলেজ ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতারা কেনাকাটায় অফার আর ছাড় সবচেয়ে বেশি খোঁজে। কেউ বেশি কিনলেও বিশেষ ছাড় পাচ্ছে। আবার কেউ আলাদা করে কম দামের পণ্যের জন্য স্টলও সাজিয়েছে।

কিছু চীনা প্যাভিলিয়নে অনেক কাপড়ের দোকানে ছোট ছোট সাইনবোর্ডে বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দেওয়া আছে, বিশেষ করে বেশি করে কেনাকাটায়। যেমন- একটি সাইনবোর্ডে লেখা আছে, ‘তিনটি পিস মাত্র ১০০ দিরহামে!’ কয়েকজন বিক্রেতা জোর গলায় তাদের পণ্যের দাম বলছে। ক্রেতাদের পণ্য দেখতে ডাকছে কেউ কেউ। এক বিক্রেতা জানান, প্রথম দিনেই তিনি ক্রেতাদের বেশি ছাড় দিচ্ছেন। তিনি জানান, গ্লোবাল ভিলেজ বন্ধ হওয়ার আগে আমাদের নতুন ডিজাইনের পণ্য প্রতিপিস ১৫০ দিরহামে বিক্রি হতো। এখন আবার খোলার পর আমরা চাই বেশি ক্রেতা আসুক। তাই যারা তিনটি বা তার বেশি পণ্য কিনছে, তাদের আমি প্রতিপিস ১০০ দিরহামেও দিয়েছি! এই বিক্রেতা হলেন সেসব বিক্রেতার একজন, যারা গত সোমবার গ্লোবাল ভিলেজ আবার খোলার পর দোকান চালু করে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল-ইরান যুদ্ধের কারণে আঞ্চলিক অস্থিরতায় বন্ধ ছিল এই বিনোদন পার্কটি। ৫১ দিন বন্ধ থাকার পর বিশেষ আয়োজনে আবার খোলে গত সোমবার। প্রথম দিনেই পর্যটক ও স্থানীয় মানুষ, এমনকি দেড় মাস বয়সী শিশুসহ কেউ কেউ ভিড় করে গ্লোবাল ভিলেজে।

বিক্রেতাদের প্রত্যাশা যেমন:
উদ্যোক্তা আনশাদের মতে, দুবাইয়ের এই জনপ্রিয় ‘গ্লোবাল ভিলেজ’ বন্ধ হয়ে যাওয়াটা ছিল তার জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ প্রায় ৪০০ জন কর্মীর খরচ নিশ্চিত করতে হয় তাকে। যাদের অনেকে শুধু এই পার্কে কাজ করার জন্যই সংযুক্ত আরব আমিরাতে এসেছে। গ্লোবাল ভিলেজ আবার খোলায় তিনি বেশ খুশি। তার কথায়, কেনাকাটায় এখন অনেক মানুষজন এখানে আসবে। গ্লোবাল ভিলেজের বাকি দিনগুলো ভালোভাবে কাজে লাগাতে পারবে বলেও আশা করছেন। এখন সার্বিক পরিস্থিতি যেন অনুকূলে থাকে- সেটাই তার প্রত্যাশা। সূত্র: খালিজ টাইমস

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights