দ্বিতীয় লেগে দেখা মিলবে নতুন বিদেশি ফুটবলার
ক্রীড়া প্রতিবেদক
পেশাদার ফুটবল লিগের দ্বিতীয় লেগে অধিকাংশ ক্লাবই নতুন বিদেশি খেলোয়াড় অন্তর্ভুক্ত করেছে। শক্তি বাড়াতেই এ পথ বেছে নেওয়া। প্রশ্ন হচ্ছে নতুনদের এনে দল কতটা লাভবান হবে? এ ক্ষেত্রে শীর্ষে থাকা তিন দল নিয়েই আলোচনা হচ্ছে বেশি। ১১তম রাউন্ড থেকেই নতুন বিদেশিরা খেলবেন। ঢাকা মোহামেডানে এসেছেন পুলিশের হয়ে খেলে যাওয়া ভেনেজুয়েলার অ্যাডওয়ার্ড এনরিক মরিলো জিমোনিজ। পেশাদার লিগে ১০ম রাউন্ড পর্যন্ত ঢাকা আবাহনী স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে খেলেছে। ব্রাজিলের রাফায়েল আগস্ত ও নাইজেরিয়ার এমেকা ও গবাহারকে উড়িয়ে এনেছে তারা। আগেও দুজন আবাহনীতে খেলেছিলেন। বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে ফেডারেশন কাপের কোয়ালিফায়ার ম্যাচও খেলেছেন তারা। মোহামেডান ও কিংস কোটা পূরণ করেই চার বিদেশি খেলাতে পারবে। কিন্তু আবাহনীতে এসেছেন মাত্র দুজনই। প্রথম লেগে সুবিধা করতে না পারায় বসুন্ধরা কিংসও দ্বিতীয় লেগে নতুন বিদেশি খেলাবে। উজবেকিস্তানের গফুরভ এর আগেও খেলে গেছেন। নতুনভাবে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলের ডিফেন্ডার ডেসিলেন ও আর্জেন্টিনার ফরোয়ার্ড হুয়ান লেসকানোকে। ফেডারেশন কাপের কোয়ালিফায়ারে ডেসিলেন শুরু থেকেই একাদশে ছিলেন। গফুরভ নামেন পরিবর্তিত খেলোয়াড় হিসেবে। লেসকানো তো দলেই ছিলেন না। শোনা যাচ্ছে তিনি ইনজুরিতে আক্রান্ত। এ অবস্থায় লিগে কতটা সুবিধা করতে পারবেন তা দেখার বিষয়। মরিলোকে আনলেও তাকে মোহামেডান খেলাবে কোথায়? তিনি তো আক্রমণভাগের খেলোয়াড়। আক্রমণভাগে আস্থার পরিচয় রাখছেন দিয়াবাতে ও সানডে মধ্য মাঠে অটো চয়েস মোজাফররভ। মরিলোকে নামলে দিয়াবাতে বা সানডেকে বসাতে হবে। না হয় রক্ষণভাগের টনিকে। কোচ আলফাজ এখন কি করবেন সেটাই দেখার বিষয়। অন্যদিকে আবার আবাহনীর রাফায়েল বা এমেকাকে আগের মতো নির্ভর মনে হয়নি। তাই নতুন বিদেশিতে তিন দল কতটা উপকৃত হবে সেটাই প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে।
