পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি সাদিকের মৃত্যুর ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন
ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের সেরা ডুবুরি হিসেবে রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত মো. সাদিকের নদীতে ডুবে মৃত্যুতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক সালেহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত কমিটিকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
শুক্রবার এর সত্যতা নিশ্চিত করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন।
তিনি বলেন, সাদিকের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার গোয়ালন্দ বাজার এলাকার কুমরাকান্দি এলাকায় জানাজা শেষে তাঁকে দাফন করা হয়।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি নিছক একটি দুর্ঘটনা বলেই প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে। তিনটি স্পিডবোট পাশাপাশি ছিল। কচুরিপানা পরিষ্কারের জন্য সাদিক নদীতে নামার সময় হয়তো স্পিডবোট ও পাশের পল্টুনের নিচে দিগ্বিদিক হারিয়ে ফেলেছিলেন। ঘটনাস্থল থেকে প্রায় ৪০০ গজ দূরে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্রোতের কারণে মরদেহ ভেসে গিয়েছিল। তাঁর শরীর কোথাও আটকে ছিল না। নদীতে পড়ে যাওয়ার সময় তিনি মাথায় আঘাত পেয়ে থাকতে পারেন।’
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে শীতলক্ষ্যা নদীর ফায়ার সার্ভিসের জেটিতে আটকে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কার করতে গিয়ে পানিতে পড়ে যান মো. সাদিক (৩৫)। নিখোঁজ হওয়ার ৮ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মো. সাদিক রাজবাড়ী জেলার কুমড়াকান্দি এলাকার আশরাফ শেখের ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের একজন অভিজ্ঞ ডুবুরি সদস্য এবং রাষ্ট্রীয় পদকপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
