প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকায় স্কুলমাঠে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ - Alochitobangladesh
শনিবার, ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
Dating App

প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ লাখ টাকায় স্কুলমাঠে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ

আলোচিত বাংলাদেশ ডেস্ক »

বগুড়ার ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ী এ এ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে দোকান ঘর বরাদ্দ দিয়ে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন অভিযোগ উঠেছে প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুর রহমানের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার বিকালে জনরোষের পর অভিযানে স্কুলমাঠের সেই অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদকালে এই তথ্য বেরিয়ে এসেছে।

তবে শুধু এই দুটি দোকানঘরের পজিশন বরাদ্দ দিয়েই নয়, ওই স্কুল মাঠের জায়গায় ২১টি দোকানঘর বরাদ্দ দিয়ে কয়েক বছরে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুর রহমান।
জানা গেছে, ধুনট উপজেলার যমুনার ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষের শিক্ষার প্রসার ঘটাতে ১৯১৮ সালে গোসাইবাড়ী এএ উচ্চ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। বিদ্যালয়টির পূর্ব পাশেই রয়েছে বিশাল একটি খেলার মাঠ। কিন্তু ধীরে ধীরে অবৈধ স্থাপন নির্মাণের ফলে ওই বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি সংকুচিত হয়ে যায়।

গত বৃহস্পতিবার রাতে গোসাইবাড়ী ফকিরপাড়া এলাকার মোজাফফর রহমানের ছেলে ফজলুর রহমান ওই স্কুল মাঠের সামনেই টিনের তৈরি দুটি দোকারঘর নির্মাণ করেন।

এদিকে স্কুল মাঠে অবৈধভাবে দোকানঘর নির্মাণ করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। শুক্রবার বিকালে সংবাদ পেয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্ত ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরকত উল্লাহ পুলিশ নিয়ে সেখানে গেলে জনরোষানলে পড়েন তারা। একপর্যায়ে উপজেলা র্নিবাহী কর্মকর্তার নিদের্শনায় ওই অবৈধ স্থাপনা ভেঙে দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে দোকান মালিক ফজলুর রহমান জানান, প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুর রহমানকে ১০ লাখ টাকা দিয়ে দুটি দোকানের পজিশন বরাদ্দ নিয়েছেন তিনি। কিন্তু দোকান ভেঙে দেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি উল্টো তাকেই মারধরের চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে তিনি আইনগত ব্যবস্থা নিবেন বলেও জানান ক্ষতিগ্রস্ত এই ব্যক্তি।

তবে ওই প্রধান শিক্ষক শুধু ফজলুর রহমানের কাছ থেকেই অর্থ হাতিয়ে নেননি, তার মতো জাহাঙ্গীর, মুকুলসহ প্রায় ২১টি দোকান মালিকের কাছ থেকেই গত কয়েক বছরে অবৈধ স্থাপনার জন্য কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এছাড়াও এসব অবৈধ স্থাপনা থেকে মাসিক দোকান ভাড়াও নিজ পকেটেই ভরেন তিনি।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক সাজ্জাদুর রহমান বলেন, স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই সব দোকানঘরের পজিশন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে এজন্য কারও থেকে কোনও অর্থ নেওয়া হয়নি বলে তিনি দাবি করেন।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার জানান, স্কুলমাঠে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করায় তা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়া অবশিষ্ট অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্যও অভিযান পরিচালনা করা হবে।

শেয়ার করুন »

আলোচিত বাংলাদেশ ডেস্ক »

মন্তব্য করুন »

Men who abuse anabolic steroids risk long-term testicular problems even after they quit best australian steroid site anaboteen anabolic duo