সেই দুই পরাজয়ের কথা কী মনে রেখেছে ইংল্যান্ড?

অনলাইন ডেস্ক

ইংল্যান্ড ক্রিকেটের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। ২০১৯ সালে তারা নাটকীয় ফাইনাল জিতে প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপের ট্রফি হাতে তুলেছে। চ্যাম্পিয়ন হলেও দলটা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সামনে পড়লেই কেমন ভড়কে যায়। ২০১১ সালে ইংল্যান্ডকে ২ উইকেটে হারায় বাংলাদেশ। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে ইংলিশদের বিপক্ষে ১৫ রানের জয় পায় টাইগাররা। সেই দুটি পরাজয়ের কথা কী মনে রেখেছে ইংল্যান্ড?

ধর্মশালার কন্ডিশনের কারণে, বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে থাকবে ইংল্যান্ড। তবে সাম্প্রতিক সময়ে শান্ত-মিরাজদের মতো তরুণদের ধারাবাহিক পারফরম্যান্স আর সাকিবের নেতৃত্বে জয়টা কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্যে। ম্যাচের আগে এমনটাই জানিয়েছেন ইংলিশদের বিশ্বকাপ জেতানো অধিনায়ক ইয়ন মর্গান।

ইংল্যান্ডের সাবেক এই অধিনায়ক বলেন, ‘আসলে ঐতিহ্যগতভাবেই বাংলাদেশ কোন ম্যাচ জিতলে বড় তারকাদের দিকে তাকিয়ে থাকে। তবে আফগানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের তরুণ ক্রিকেটাররা দায়িত্ব নিয়ে খেলেছে। ফলে দলের বাকিদের ওপর থেকে চাপ কমেছে। যখন আপনার ট্রিকি কোন রান তাড়া করতে হবে তখন এটা কাজে দেবে। সাকিবের পারফর্মেন্স, অধিনায়কত্ব আরও বেশি কার্যকরী হবে কালকের (মঙ্গলবার) ম্যাচে, যদি তরুণরা তাকে সাপোর্ট দিয়ে যেতে পারে।’
শুরু থেকে বর্তমান, সাকিবের পারফরম্যান্স অভিন্ন থেকে গেলেও, প্রেক্ষাপট বদলেছে বাংলাদেশ দলের। ‘পঞ্চপাণ্ডব’ তত্ত্ব থেকে বেরিয়ে, টাইগাররা এখন বিশ্বাস করে টিম পারফরম্যান্সে। ফেবারিট ইংল্যান্ডের বিপক্ষে, এই টিম পারফরম্যান্সটাই টোটকা হিসেবে কাজে লাগতে পারে বাংলাদেশের।

যদিও বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচে বাজিটা থ্রি লায়ন্সের পক্ষেই রেখেছেন মর্গান। তার পেছনে যুক্তি, ধর্মশালার কন্ডিশন আর ইংল্যান্ডের শক্তিশালী পেস বোলিং ইউনিট। তবে ম্যাচটা ইংল্যান্ডের জন্য কঠিন হবে তাও জানিয়ে দিলেন মরগ্যান।

মরগ্যান বলেন, ‘অবশ্যই বাংলাদেশ কঠিন প্রতিপক্ষ। খেলা যেখানেই হোক না কেন। তবে মনে হচ্ছে এখানকার কন্ডিশন ইংল্যান্ডকে একটু সুবিধা দেবে। দিনের বেলা বল একটু বেশি বাউন্স করতে পারে। আর বলে বাউন্স থাকলে ইংল্যান্ড কিছুটা বেশি সুবিধা পেতে পারে। আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের স্পিনাররা দারুণ বোলিং করেছে। তারা চাপের মধ্যে বেশ ভালো লড়াই করতে পারে। পরিস্থিতি আফগানিস্তানের মতো হলে, ইংল্যান্ড কিছুটা বেশি সুবিধা পাবে।’

আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে পিছিয়ে থাকলেও, বিশ্বকাপের পরিসংখ্যানে সমানে সমান বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড। ৪ বারের দেখায়, ২ বার টাইগাররা আর ২ বার জিতেছে ইংল্যান্ড।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights