অর্থ পাচার সন্দেহে ২০২১ সালে বন্ধ করা হয় ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

অনলাইন ডেস্ক

অর্থ পাচারের সন্দেহে ২০২১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল ক্যাপিটাল ওয়ান ব্যাংক। সম্প্রতি আদালতে জমা দেওয়া এক নথিতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে আর্থিক প্রতিষ্ঠানটি।

দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার পরপরই ট্রাম্পের একটি আর্থিক হোল্ডিং কোম্পানি ক্যাপিটাল ওয়ানের বিরুদ্ধে মামলা করে। ট্রাম্পের অভিযোগ, ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারি ক্যাপিটলে হামলার পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তার অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ বা ‘ডি-ব্যাংকিং’ করা হয়েছিল। তবে মামলাটি খারিজের আবেদন জানিয়ে ক্যাপিটাল ওয়ান জানিয়েছে, তাদের ‘অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং’ (এএমএল) দলের দীর্ঘ অনুসন্ধানে আর্থিক কারচুপির প্রমাণ মেলায় নীতি মেনেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখানে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না।

ক্যাপিটাল ওয়ানের সঙ্গে ট্রাম্পের এক দশকেরও বেশি সময়ের ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল। তার গলফ কোর্স, ওয়াইনারিসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে সেখানে ৩০০টিরও বেশি হিসাব ছিল। ব্যাংকটি জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে কোনো প্রকাশ্য মন্তব্য না করে ট্রাম্পকে অন্য ব্যাংকে হিসাব সরিয়ে নেওয়ার জন্য কয়েক মাস সময়ও দেওয়া হয়েছিল।

ক্যাপিটাল ওয়ান ছাড়াও জেপিমরগান চেসের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগে ৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণ মামলা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ব্যাংকগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে গ্রাহক ছাঁটাইয়ের কথা অস্বীকার করেছে।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের আইনি দল ক্যাপিটাল ওয়ানের এই পদক্ষেপকে ‘লজ্জাজনক ও রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, ব্যাংকিং খাতে এমন বৈষম্য বন্ধ করতে ২০২৫ সালের আগস্টে ‘গ্যারান্টিং ফেয়ার ব্যাংকিং ফর অল আমেরিকানস’ শীর্ষক একটি নির্বাহী আদেশেও সই করেছিলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights