আইসিসিবিতে ভোজনরসিকের ভিড়
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) ভোজনরসিকদের ভিড় বেড়েই চলেছে। আইসিসিবির হল-৫ পুষ্পাঞ্জলিতে রমজানের প্রথম দিন যাত্রা শুরু করে ‘দশম আইসিসিবি পুরান ঢাকা ইফতার বাজার ২০২৬’। দ্বিতীয় দিনেই এ ইফতার উৎসবে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এ উৎসব ২৭ রমজান পর্যন্ত প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে ইফতারের সময় পর্যন্ত চলবে।
গতকাল বিকাল গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পুষ্পাঞ্জলি হলে ভিড় বাড়তে থাকে। ইফতারের সময় যত ঘনিয়ে আসে, ততই বাড়ে পছন্দের খাবার সংগ্রহের ব্যস্ততা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিশাল হল রুমজুড়ে সাজানো স্টলগুলোয় মিলছে পুরান ঢাকার সেই প্রসিদ্ধ সব ইফতারির পদ। তবে এখানে পুরান ঢাকার মতো হইচই-হাঁকডাক নেই। ধুলাবালি-ধোঁয়াও নেই, আছে স্বাস্থ্যসম্মত সুন্দর পরিবেশ। ঢাকাই খাবারের পরিচিত বিভিন্ন স্টলের পাশাপাশি আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্টের আয়োজনও রয়েছে। পরিবার নিয়ে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা যেমন আছে, তেমনি পছন্দের ইফতার কিনে বাসায় নেওয়ার সুবিধাও রাখা হয়েছে। উৎসবে মিলছে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী মাটন কাচ্চি, মোরগ পোলাও, বিফ তেহারি, নানা ধরনের রোস্ট, কাবাব ও হান্ডি কাবাব, কালা ভুনা, মাটন হালিম, ডিম চাপসহ বহু পরিচিত পদ। পাশাপাশি রয়েছে বিভিন্ন শাহি আইটেম ও তাজা ফলের জুস। এ ছাড়া ছোলা ভুনা, পিঁয়াজু, বেগুনি, ডিমের চাপ, আলুর চাপ, লুচি-পরোটা, হালিমসহ কয়েক ধরনের জিলাপি পাওয়া যাচ্ছে। এর মধ্যে রেশমি জিলাপি প্রতি কেজি ৮০০ ও বম্বে জিলাপি ৬০০ টাকা, মালাই জর্দা প্রতি বক্স ১২০ টাকা, মালাই বুন্দিয়া প্রতি কেজি ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
চকবাজার বা পুরান ঢাকার যানজট আর ভিড় এড়িয়ে অনেকেই এখন এ উৎসবে ছুটে আসছেন। এক দশক ধরে নতুন ঢাকার ভোজনরসিকদের জন্য পুরান ঢাকার স্বাদ পৌঁছে দিচ্ছে আইসিসিবির এ ইফতার বাজার। স্বাদের টানে ভিড় বাড়ার সেই চিত্র দ্বিতীয় দিনেই দেখা গেছে।
