‘আমোদ’ প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদকের মৃত্যুবার্ষিকীকে দিনব্যাপী কর্মসূচি
কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দেশের প্রাচীন সংবাদপত্র সাপ্তাহিক আমোদ প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মোহাম্মদ ফজলে রাব্বীর ৩০তম মৃত্যুবার্ষিকী ২৮ নভেম্বর বৃহস্পতিবার। এই উপলক্ষে দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী সংসদ। এরমধ্যে রয়েছে বেলা ১১টায় বিষ্ণপুর কবরস্থানে কবর জিয়ারত, দুপুরে ভিক্টোরিয়া কলেজ উচ্চ মাধ্যমিক শাখার মসজিদে দোয়া। বিকাল ৪টায় নজরুল ইনস্টিটিউট কুমিল্লা কেন্দ্রে স্মরণ সভার আয়োজন করা হয়েছে। সংসদের সভাপতি খায়রুল আহসান মানিক ও সাধারণ সম্পাদক সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ স্মরণ সভায় উপস্থিত থাকার জন্য সবার প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
আমাদ পরিবারের সূত্র জানায়, ১৯৯৪ সালের ২৮ নভেম্বর মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী মৃত্যুবরণ করেন। ১৯২৫ সালের ১ জুন তিনি কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈত্রিক নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে। তার পিতার নাম এ এফ এম মোহাম্মদ আসাদ, মাতা সৈয়দা ফখরুন্নেসা।
১৯৫৫ সালের ৫ মে থেকে কুমিল্লায় মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী ‘আমোদ’ পত্রিকার প্রকাশনা শুরু করেন। আমোদ ছিল পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম ক্রীড়া সাপ্তাহিক। পরে তা সাধারণ সংবাদপত্রে রূপ নেয়। চলতি বছর আমোদ তার নিয়মিত প্রকাশনার ৭০ বছরে পদার্পণ করেছে। মোহাম্মদ ফজলে রাব্বীর পর আমোদ প্রকাশনার দায়িত্ব নেন তার সহধর্মিনী শামসুন নাহার রাব্বী। বর্তমানে তার একমাত্র ছেলে বাকীন রাব্বী পত্রিকার সম্পদনার দায়িত্ব পালন করছেন।
সূত্র আরও জানায়, বৃহত্তর কুমিল্লা তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর এবং তার আশপাশের এলাকায় এখন যে সংবাদপত্রের বিকাশ দেখা যায় তাঁর উৎস ‘আমোদ’। এখানে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করে নিজেকে এগিয়ে নিয়েছেন অনেকে। আঞ্চলিক সংবাদপত্র হিসেবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখার কারণে আমোদ তার যোগ্য স্বীকৃতিও পেয়েছে। ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘের অঙ্গ সংগঠন ইউনেস্কো এশিয়ার পাঁচটি সফল আঞ্চলিক পত্রিকার একটি হিসেবে ‘আমোদ’ স্বীকৃতি লাভ করে
