ইউক্রেনের ভূমি দিয়েই পশ্চিমাদের জব্দকৃত সম্পদ ফিরিয়ে আনা হবে: রাশিয়া

অনলাইন ডেস্ক
পশ্চিমা দেশগুলোয় জব্দ হওয়া রুশ সম্পদ ইউক্রেনকে হস্তান্তরের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ।

তিনি বলেছেন, “এসব সম্পদ আইনি পথে ফেরত পাওয়া সম্ভব না হলেও ‘ইন কাইন্ড’ অর্থাৎ ভূমি, সম্পত্তি ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মাধ্যমে রাশিয়া তা পুনরুদ্ধার করবে।”

বুধবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে মেদভেদেভ লিখেছেন, ব্রিটেন সম্প্রতি রাশিয়ার সম্পদ থেকে অর্জিত ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের মুনাফা কিয়েভকে দিয়েছে। এটি মূলত ‘চুরির শামিল’ এবং এভাবে ‘নব্য নাৎসিদের হাতে’ অর্থ তুলে দেওয়ার সমান।
অনলাইন ডেস্ক
অনলাইন ভার্সন
ইউক্রেনের ভূমি দিয়েই পশ্চিমাদের জব্দকৃত সম্পদ ফিরিয়ে আনা হবে: রাশিয়া

দিমিত্রি মেদভেদেভ

পশ্চিমা দেশগুলোয় জব্দ হওয়া রুশ সম্পদ ইউক্রেনকে হস্তান্তরের ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের ডেপুটি চেয়ারম্যান দিমিত্রি মেদভেদেভ।

তিনি বলেছেন, “এসব সম্পদ আইনি পথে ফেরত পাওয়া সম্ভব না হলেও ‘ইন কাইন্ড’ অর্থাৎ ভূমি, সম্পত্তি ও স্থাবর-অস্থাবর সম্পদের মাধ্যমে রাশিয়া তা পুনরুদ্ধার করবে।”

বুধবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে মেদভেদেভ লিখেছেন, ব্রিটেন সম্প্রতি রাশিয়ার সম্পদ থেকে অর্জিত ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের মুনাফা কিয়েভকে দিয়েছে। এটি মূলত ‘চুরির শামিল’ এবং এভাবে ‘নব্য নাৎসিদের হাতে’ অর্থ তুলে দেওয়ার সমান।

তার দাবি, এই ঘটনার মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও বর্তমান ইউক্রেন সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করার আইনি অধিকার অর্জন করেছে রাশিয়া।

তবে মেদভেদেভ স্পষ্ট করেন, তার বক্তব্য ডোনবাস ও নভোরসিয়ার ভূখণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, কারণ ‘এই অঞ্চলগুলো ইতোমধ্যেই রাশিয়ার অংশ’।

ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার ঘোষণা করা হয়, তারা ইউক্রেনকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে— যা রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞায় জব্দকৃত সম্পদ ব্যবহার করে উপার্জিত মুনাফা। একই সঙ্গে লন্ডন জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে কিয়েভে সেনা পাঠানোর বিষয়টি তারা বিবেচনা করছে। সূত্র: তাস, আনাদোলু এজেন্সি, আল-আরাবিয়া
তার দাবি, এই ঘটনার মাধ্যমে যুক্তরাজ্য ও বর্তমান ইউক্রেন সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করার আইনি অধিকার অর্জন করেছে রাশিয়া।

তবে মেদভেদেভ স্পষ্ট করেন, তার বক্তব্য ডোনবাস ও নভোরসিয়ার ভূখণ্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, কারণ ‘এই অঞ্চলগুলো ইতোমধ্যেই রাশিয়ার অংশ’।

ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার ঘোষণা করা হয়, তারা ইউক্রেনকে ১ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে— যা রাশিয়ার ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞায় জব্দকৃত সম্পদ ব্যবহার করে উপার্জিত মুনাফা। একই সঙ্গে লন্ডন জানায়, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে কিয়েভে সেনা পাঠানোর বিষয়টি তারা বিবেচনা করছে। সূত্র: তাস, আনাদোলু এজেন্সি, আল-আরাবিয়া

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights