ইরানের মিসাইল কারখানার হদিস পেতে ‘পুরোপুরি ব্যর্থ’ যুক্তরাষ্ট্র, দাবি তেহরানের
অনলাইন ডেস্ক
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে যুক্তরাষ্ট্র পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির সামরিক বাহিনী। একই সঙ্গে তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের ধারাবাহিক ও তীব্র হামলা সত্ত্বেও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তারা অব্যাহতভাবে ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত বাড়িয়ে যাচ্ছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি জানিয়েছে, দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র আবুলফজল শেকারচি এ দাবি করেছেন। শেকারচির ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের প্রতিটি পর্যায়ে, এমনকি সমঝোতা স্মারক কার্যকর থাকার সময়েও ইরানের সামরিক বাহিনী নিরবচ্ছিন্নভাবে ক্ষেপণাস্ত্র ও আক্রমণকারী ড্রোন উৎপাদন অব্যাহত রেখেছে।
তিনি বলেন, নতুন করে মজুত গড়ে তোলার পাশাপাশি উৎপাদিত ক্ষেপণাস্ত্র তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক অভিযানে ব্যবহার করা হচ্ছে।
ইরানি এই মুখপাত্র আরও দাবি করেন, ব্যাপক গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়েও যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন স্থাপনাগুলোর অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি।
বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যে ধারণা করেছিল, বাস্তবে তেহরান তার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে মার্কিন হামলা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছে।
গত মে মাসে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএর এক মূল্যায়নে বলা হয়, যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের যে পরিমাণ ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ছিল, তার প্রায় ৭০ শতাংশ এখনো অক্ষত রয়েছে।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের তৈরি অস্ত্র, বিশেষ করে ড্রোন, তুলনামূলক কম খরচে উৎপাদন করা সম্ভব হলেও সেগুলো ধ্বংস বা প্রতিহত করতে মার্কিন বাহিনীকে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করতে হচ্ছে।
সূত্র : আল-জাজিরা।
