ইসরায়েলি জাহাজ-মার্কিন সংশ্লিষ্ট কারখানায় ইরানের হামলা
অনলাইন ডেস্ক
‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ ফোর’-এর অংশ হিসেবে ৯৯তম ধাপে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি)। ভোররাত থেকে শুরু হওয়া এই প্রতিশোধমূলক হামলায় পারস্য উপসাগর ও ভারত মহাসাগরে অবস্থিত মার্কিন মালিকানাধীন একাধিক পেট্রোক্যামিক্যাল স্থাপনা ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান।
আইআরজিসি স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে পুনরায় আঘাত করা হলে এবার কোনো ধরনের সংযম প্রদর্শন না করে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে পাল্টা জবাব দেওয়া হবে।
পবিত্র কোড ‘ইয়া ফাতিমা আল-জাহরা (সা.)’ ব্যবহারের মাধ্যমে পরিচালিত এই অভিযানে সৌদি আরবের জুবাইল অঞ্চলে অবস্থিত সাদারা, এক্সনমোবিল ও ডাউ কেমিক্যালের মতো বৃহত্তম মার্কিন পেট্রোক্যামিক্যাল কমপ্লেক্সগুলোতে সফলভাবে হামলা চালানো হয়েছে। একইসঙ্গে জুয়াইমাহ এলাকায় শেভরন ফিলিপসের একটি বিশাল কেন্দ্রে মধ্যপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও সুইসাইড ড্রোনের নিখুঁত আঘাত নিশ্চিত করেছে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ফোর্স।
ভারত মহাসাগরের গভীরে অবস্থানরত মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ‘সিভিএন ৭২’-কে লক্ষ্য করে দীর্ঘপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতের খোর ফাক্কান বন্দর ব্যবহার করে স্থলপথে সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের চেষ্টাকালে একটি ইসরায়েলি কন্টেইনার জাহাজকেও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ধ্বংস করা হয়েছে।
আইআরজিসির আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হত্যার মধ্য দিয়ে মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী যে অপরাধমূলক আগ্রাসন শুরু করেছে, তার সমুচিত জবাব দিতেই এই প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুতে হামলার যে হুমকি দিয়েছেন, তার পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে তেহরান জানিয়েছে, রেড লাইন অতিক্রম করা হলে এবার হামলার পরিধি অঞ্চলের বাইরেও বিস্তৃত হবে।
সূত্র: প্রেস টিভি
