এক ম্যাচেই বিশ্বকাপ কঠিন করে ফেলতে পারে পাকিস্তান
অনলাইন ডেস্ক
২০২৬ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের বিপক্ষে গ্রুপ ম্যাচ বয়কটের পাকিস্তান সরকারের ঘোষণার পর পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের প্রতি পারস্পরিকভাবে গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজতে আহ্বান জানিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল। সংস্থাটি বলেছে এমন সিদ্ধান্ত বৈশ্বিক ক্রিকেট ও টুর্নামেন্টের স্বার্থের পরিপন্থী।
পাকিস্তান সরকারের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টের প্রায় তিন ঘণ্টা পর আইসিসি এক বিবৃতিতে জানায় তারা এখনো পিসিবির কাছ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো যোগাযোগ পায়নি। তবে আইসিসি স্পষ্ট করে দিয়েছে ইচ্ছামতো একটি ম্যাচে খেলা আর অন্য ম্যাচে না খেলা বৈশ্বিক ক্রীড়া ইভেন্টের মৌলিক ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয় আইসিসি টুর্নামেন্ট গড়ে ওঠে ক্রীড়াগত সততা প্রতিযোগিতা ধারাবাহিকতা ও ন্যায্যতার ওপর। নির্বাচিত অংশগ্রহণ প্রতিযোগিতার পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ন করে।
সংস্থাটি আরও জানায় তারা সরকারগুলোর জাতীয় নীতিগত ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হলেও এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেট কিংবা পাকিস্তানের লাখো ভক্তের কল্যাণে আসবে না। একই সঙ্গে পিসিবিকে দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইসিসি জানিয়েছে তাদের অগ্রাধিকার ২০২৬ টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সফলভাবে আয়োজন করা। এটি পিসিবিসহ সব সদস্য দেশের যৌথ দায়িত্ব। সে কারণে সব পক্ষের স্বার্থ রক্ষা করে এমন সমাধান প্রত্যাশা করছে সংস্থাটি।
উল্লেখ্য বাংলাদেশ নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে ভারতে খেলতে অস্বীকৃতি জানালে ২৪ জানুয়ারি তাদের টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে আইসিসি। ওই সিদ্ধান্তের পর পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি ভারতের প্রতি পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে বলেন পাকিস্তানের অংশগ্রহণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সরকার নেবে।
গ্রুপ এ তে ভারত নামিবিয়া নেদারল্যান্ডস যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রয়েছে পাকিস্তান। সহ আয়োজক শ্রীলঙ্কায় তারা সব ম্যাচ খেলবে। ৭ ফেব্রুয়ারি নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে পাকিস্তানের টুর্নামেন্ট শুরু। এরপর ১০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ১৮ ফেব্রুয়ারি নামিবিয়ার মুখোমুখি হবে তারা। ভারতের বিপক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারির ম্যাচ বয়কট করলে পাকিস্তান ওই ম্যাচের দুই পয়েন্ট হারাবে।
আইসিসির প্লেয়িং কন্ডিশন অনুযায়ী কোনো ম্যাচ ফরফিট হলে ডিফল্ট করা দলের নেট রান রেটও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নিয়ম অনুযায়ী ফরফিট হওয়া ম্যাচে ডিফল্ট করা দলের পূর্ণ ২০ ওভার হিসাবের মধ্যে ধরা হবে। এতে গড় রান রেটে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে যদিও প্রতিপক্ষ দলের নেট রান রেটে এর প্রভাব পড়বে না।
