এক সড়কের দুর্দশায় হাজারো মানুষের দুর্ভোগ

সাইফুল ইসলাম বেগ, বিশ্বনাথ (সিলেট)

বর্ষা নামলেই কাদা আর কাদা। পা ফেললেই আটকে যায় জুতা। কোথাও জমে আছে পানি। বর্ষায় এ পথে চলাচলই মুশকিল। এমন দৃশ্য যেন কয়েক যুগের বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে, সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রায়পুর-টিমাইঘর এলাকার মানুষের। দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটি উন্নয়নের মুখ না দেখায় প্রতিদিন চরম ভোগান্তি নিয়ে চলাচল করছেন হাজারো মানুষ।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার খাজাঞ্চি ইউনিয়নের রায়পুর-টিমাইঘর সড়টির অধিকাংশ অংশ জুড়ে কাদা। কাদা না মাড়িয়ে যাবার উপায় নেই। কোথাও কোথাও এতটাই পিচ্ছিল যে জুতা-স্যান্ডেল হাতে নিয়ে চলতে হয়। প্রায় দুই কিলোমিটারের মতো কাঁচা সড়কটি একেবারেই অনুপযোগী যানচলাচলের। ফলে শিক্ষার্থী, কৃষক, কর্মজীবী মানুষ ও অসুস্থ রোগীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক যুগ ধরে তাদের সড়কটি এমন বেহাল অবস্থায় পড়ে আছে। এটি মূলত রায়পুর গ্রামের সড়ক হলেও, পার্শ্ববর্তী টিমাইঘর গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন এদিকে। কাদা মেখে প্রতিদিন প্রতিদিন একটা দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে হয়। এ সড়ক ব্যবহার প্রতিদিন অন্তত সাতটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যাতায়াত করেন। অবহেলার অবসান ঘটিয়ে যদি দ্রুত সড়কটি পাকা করা হয়, তাহলে বদলে যাবে হাজারো মানুষের প্রতিদিনের যাতায়াতের চিত্র।

গ্রামের বাসিন্দা সালেহ আহমদ বলেন, বর্ষা এলেই আমাদের পুরো সড়ক কাদায় ডুবে যায়। খালি পয়ে চলাচলই কঠিন হয়ে পড়ে। বেশি বেকায় পড়ে আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। কাদা-জল মাড়িয়ে তারা ঠিকমতো শিক্ষামতো পৌঁছাতে পারে না।

গ্রামের প্রবীণ নুরুজ আলী বলেন, শুকনো মৌসুম এলে আমরা চাঁদা তুলে মাটি ভরাট করি। বর্ষায় আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায় সড়ক। এখন আমাদের একটাই দাবি- রাস্তাটি দ্রুত পাকা করা হোক।

এ বিষয়ে কথা হলে উপজেলা প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তার আইডি না থাকলে, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সময় লাগবে। আর আইডি থাকলে সড়টির উন্নয়ন কার্যক্রমে সুবিধা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights