কানাডায় শিশুদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিন দিন পরিবারের অভিভাবক থেকে শিশু-কিশোরদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি করছে। এ বিষয়ে কানাডার ক্যালগেরির পাবলিক লাইব্রেরি- ফিশ ক্রিক শাখায় ক্রিয়েটিভ থিংকিং স্কুল’র আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বিষয়ক ইন্টারঅ্যাক্টিভ বিশেষ কর্মশালা যেখানে দেখানো হয়েছে শিশু কিশোরদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভাল এবং মন্দ দিকগুলো।

“নিওরো ক্রিয়েটর: এআই-পাওয়ারড ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স ওয়ার্কশপ ফর চিলড্রেন” শিরোনামে কর্মশালায় শিশুরা শিখেছে সূজনশীল ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ। শিল্প ও রঙের মাধ্যমে সৃজনশীল আবেগ প্রকাশ দেখানো হয়েছে কর্মশালায়।

কর্মশালায় উঠে এসেছে এ আই,সেল ফোনের প্রতি শিশু-কিশোরদের ঝুঁকে পরার বিভিন্ন দিকগুলো। কর্মশালায় ৬ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোররা অংশগ্রহণ করে।

কানাডার কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মো. সাকিব উল্লাহ সৌরভ শিশু-কিশোরদের জন্য উদ্ভাবনী এই শিক্ষামূলক কর্মশালা পরিচালনা করেন।

কর্মশালার মূল বিষয়বস্তু ছিল আগুনের উপমার মাধ্যমে এআই প্রযুক্তি বোঝা – কীভাবে এআই ভালো বা খারাপ বন্ধু হতে পারে। আবেগ রঙ কোড সিস্টেমে বোঝানো হয়েছে। প্রতিটি আবেগের জন্য নির্দিষ্ট রঙ যেমন খুশি বোঝাতে হলুদ, রাগ বোঝাতে লাল, এবং দুঃখ বোঝাতে নীল রঙের ব্যবহার করা হয়েছে। নিজস্ব এআই বন্ধু চরিত্র তৈরি করা যেমন সুপারহিরো, ড্রাগন, রোবট বা যেকোনো কল্পনাপ্রসূত চরিত্র

ইন্টারঅ্যাক্টিভ বিশেষ এই কর্মশালায় প্রযুক্তি এবং আবেগ – উভয়কেই কীভাবে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা যায় তাঁর উপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights