কেন মেধাবীরা দেশ ছেড়ে যায়?

এ ইউ দৌলা
‘ফান্ড ফর পিস’ ও ‘দ্য গ্লোবাল ইকোনমি’-র তথ্য অনুযায়ী, বিগত বছরগুলোতে ব্রেইন ড্রেন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০-এর মধ্যে ৬.৭, যা উদ্বেগজনক। বিশ্বব্যাংক ও বিভিন্ন খাতের প্রতিবেদনে এসেছে, দেশের শীর্ষস্থানীয় মেডিকেল ও প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর গ্র্যাজুয়েটদের একটি বিশাল অংশ দেশ ছাড়ছেন। বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের বিভিন্ন সময়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক চিকিৎসক প্রতি বছর উন্নত দেশগুলোতে, যেমন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়ায় চলে যাচ্ছেন। অভিবাসন গবেষণা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর উচ্চশিক্ষার জন্য যারা বিদেশে যান, তাদের প্রায় ৯০% এর কাছাকাছি পড়াশোনা শেষ করে আর দেশে ফেরেন না।

কিন্তু প্রশ্ন হলো, কেন তারা দেশ ছাড়ছেন, তাদের মাঝে কি দেশপ্রেম নেই, নাকি সমস্যা অন্য কোথাও?

বিষয়টির গভীরে যেতে চলুন বুঝে নিই, দেশপ্রেম আসলে কী এবং নাগরিকদের অন্তরে দেশপ্রেম কীভাবে সৃষ্টি হয়।

আমাদের জীবনের সবচেয়ে আবেগঘন অনুভূতিগুলোর একটি হলো শেকড়ের প্রতি টান। যুগ যুগ ধরে কবি, শিল্পী ও সাহিত্যিকরা দেশপ্রেমকে এক মহাজাগতিক অনুভব হিসেবে ব্যাখ্যা করে এসেছেন। আমরা পরিবারকে ভালোবাসি, নিজ অঞ্চলকে আপন মনে করি এবং নিজের জাতির প্রতি অপ্রতিরোধ্য টান অনুভব করি। পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মানুষই নিজ দেশ ও জাতির প্রতি এই অনুরাগ অনুভব করে থাকেন। কিন্তু, কেন আমরা জাতিবোধ বা দেশপ্রেম অনুভব করি, যার ভিত্তিতে সৃষ্টি হয় জাতিরাষ্ট্র; আবার কেন নিজেকে অন্য জাতি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা বলে মনে হয়?

বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিতে দেশপ্রেমের অনুভবকে বলা হয় মস্তিষ্ক, স্নায়ুতন্ত্র এবং অভ্যাসের যৌথ প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে গড়ে ওঠা পরিবেশগত সংযুক্তি। মানুষের ব্রেইন হলো শক্তি-সাশ্রয়ী প্যাটার্ন খোঁজার যন্ত্র; তাই নতুন বা অচেনা কোনো পরিবেশের মুখোমুখি হলে ব্রেইনের ভয়ের কেন্দ্রটি সচল হয়ে ওঠে, কারণ ব্রেইন বিবেচনা করে অচেনা মানেই ঝুঁকি। এর বিপরীত চিত্র দেখা যায় পরিচিত পরিবেশের ক্ষেত্রে। শৈশব থেকে চারপাশের চেনা প্রকৃতি, মাতৃভাষার শব্দ, খাবারের গন্ধ, পরিচিত গাছ কিংবা চেনা উৎসব ও প্রথাগুলো আমাদের মস্তিষ্কে পরিচিতির অনুভব দেয়। ধীরে ধীরে পরিচিত সেই পরিবেশ এমন এক আশ্রয় হয়ে ওঠে, যা মস্তিষ্কে নিরাপত্তার অনুভূতি তৈরি করে। নিরাপত্তার অনুভূতিকে মস্তিষ্ক ডোপামিন এবং অক্সিটোসিনের আনন্দ হিসেবে দেখে, যা অভ্যাসের মাধ্যমে ব্রেইনে স্থায়ী নিউরাল সার্কিটে পরিণত হয়। মানুষ যখন নির্দিষ্ট কিছু শব্দ, সংস্কৃতি, প্রতীক বা ভূখণ্ডের সাথে দিনের পর দিন বসবাস করতে থাকে, তখন ব্রেইন সেই উপাদানগুলোকে নিজের অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে কোড করে নেয়।

অন্যদিকে বিবর্তনবাদ অনুসারে, আদিম যুগে মানুষের বেঁচে থাকার একমাত্র উপায় ছিল দলের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত থাকা। সেই প্রয়োজনের অভ্যস্ততা থেকেই দলপ্রেম ও জাতিপ্রেমের উদ্ভব। আর দলপ্রেমের ছোট্ট সেই প্রাচীন সীমানাকে আরও বড় পরিসরে প্রসারিত করার মানসিক রূপই হলো আজকের দেশপ্রেম। মস্তিষ্ক যখন কোনো গোষ্ঠীর অংশ হয়ে যায়, যখন সে গোষ্ঠীকে নিজের পরিচয়ের অংশ মনে করে, তখন সে গোষ্ঠীর ভাগ্যকে নিজের ভাগ্য হিসেবে অনুভব করতে অভ্যস্ত হয়। শৈশব থেকে অভ্যস্ত হওয়া একই সংগীত, একই পতাকা, সুর, ছন্দ, ফুল, ফল, পাখি কিংবা চেনা কোনো প্রাকৃতিক দৃশ্য যখনই চোখের সামনে আসে, তখন মস্তিষ্কের জমা হওয়া সম্মিলিত স্মৃতিগুলো সক্রিয় হয়ে ‘আমি এদেরই একজন’ বলে অন্তরে তৃপ্তি সৃষ্টি করে। এই অনুভবে অক্সিটোসিন নামক হরমোনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা আমাদের সংযুক্তির অনুভব বাড়িয়ে দেয়। দেশের জন্য উপকারী কোন কাজ করলে সমাজ যখন প্রশংসা করে, সেটিও ব্রেইনের ডোপামিন সিস্টেমকে অ্যাক্টিভ করে দেশপ্রেমকে স্থায়ী অভ্যাসের সার্কিটে পরিণত করে। এই অভ্যাসে অভ্যস্ত হওয়া মস্তিষ্ক দেশের সমালোচনা শুনলে সেটিকে নিজের ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে দেখে ব্রেইনে কর্টিসোল বাড়িয়ে দেয়। এটি বুঝিয়ে দেয় যে, মস্তিষ্ক দেশকে আর কেবল একটি ভূমিখণ্ড নয়, বরং নিজের অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে দেখে।

তবে দেশকে ভালোবাসার অনুভূতি কোনো স্থবির বিষয় নয়; এটি একটি ক্রমপ্রসারমান বৃত্ত। ঠিক পেঁয়াজের খোসার মতোই আমাদের পরিচয়ের পরিধি ধাপে ধাপে বাড়তে থাকে। শৈশবে মস্তিষ্ক তার তাৎক্ষণিক পরিবেশ অর্থাৎ পরিবার ও নিজ গ্রামকেই একমাত্র ‘ইন-গ্রুপ’ বা নিরাপদ বৃত্ত হিসেবে চেনে। কিন্তু শিক্ষার সাথে সাথে মানুষ বুঝতে পারে যে সে একটি দেশের অংশ। এরপর একসময় দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিক চেতনায় মানুষ নিজেকে সমগ্র ‘মানব প্রজাতি’, ‘প্রাণী জগৎ’ এবং পরিশেষে এই বিশাল ‘প্রকৃতির’ এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উপলব্ধি করতে শেখে। এই রূপান্তরটি আসলে নিজেকে ও প্রকৃতিকে জানার, উপলব্ধির এবং অভ্যস্ততার ফল।

মানুষ কেন তার পরিচয়ের সাথে যুক্ত সবকিছুকে এত ভালোবাসে? এর উত্তর লুকিয়ে রয়েছে Self-Expansion Model-এর মধ্যে। মানুষ তার নিজেকে, আপন পরিবার, দেশ ও চারপাশের চেনা প্রকৃতিকে নিজের Extended Self হিসেবে দেখে। বেঁচে থাকা বা টিকে থাকার মৌলিক মোটিভেশনে মানুষ নিজেকেই ভালোবাসে, আর সেই ভালোবাসারই প্রকাশ হয় তার নিজের পরিচয়ের সাথে যুক্ত প্রতিটি বিষয়ের প্রতি প্রেম অনুভবের মধ্যে।

মনোবিজ্ঞানে ‘কন্ডিশনিং’ বা অভ্যস্ততার তত্ত্বটি অত্যন্ত শক্তিশালী, যেখানে দেখা যায় যে কোনো নিরপেক্ষ বস্তু বা বিষয়ের সাথে বারংবার কোনো নির্দিষ্ট আবেগ যুক্ত করা হলে ব্রেইন সেই বিষয়ের সাথে আবেগটিকে স্থায়ীভাবে জুড়ে নেয়। পতাকা বানানো হয় একটি সাধারণ কাপড়ের টুকরো দিয়ে আর জাতীয় সংগীত কিছু সুর ও শব্দের সমষ্টি। কিন্তু শৈশব থেকেই যখন ভাব-গম্ভীর ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে নির্দিষ্ট ছন্দে এই সংগীত গাওয়া হয় এবং পতাকাকে সম্মান জানানো হয়, তখন মস্তিষ্কের অবচেতন মন এই রিচুয়ালের সাথে গভীর শ্রদ্ধা এবং ঐক্যের অনুভূতিকে যুক্ত করে নেয়। বছরের পর বছর যখন একই রিচুয়ালের পুনরাবৃত্তি চলতে থাকে, তখন তা মজবুত মানসিক কাঠামোতে পরিণত হয়। মস্তিষ্কের বেসাল গ্যাংলিয়া এই রিচুয়ালগুলোকে স্নায়ুতন্ত্রের গভীরে এমনভাবে গেঁথে দেয় যে, এটি তখন মানসিক অভ্যাসে রূপ নেয়। এমন অবস্থায় জাতীয় পতাকা কিংবা জাতীয় সংগীত মাত্রই আমাদের অন্তরে শ্রদ্ধা ও সম্মান সৃষ্টি হয়। সমাজবিজ্ঞানী এমিল দুর্খেইম একে ‘কালেক্টিভ এক্সটাসি’ বা দলগত পরমানন্দ বলেছেন; তিনি ব্যাখ্যা করেছেন যে, সমবেত রিচুয়ালের সময় হাজার হাজার মানুষ যখন একসঙ্গে একই সুরে ও ভঙ্গিতে অংশ নেয়, তখন মস্তিষ্কে বিপুল পরিমাণে অক্সিটোসিন ও এন্ডোরফিন হরমোন নিঃসারিত হয়। এর ফলে মানুষ তার একক সত্তাকে ভুলে গিয়ে নিজেকে বিশাল এক জনগোষ্ঠীর অংশ বলে অনুভব করে এবং এই যৌথ অনুভূতির তীব্রতা মানুষের মনে গভীর দেশপ্রেমের স্থায়ী রূপ দেয়।

তবে কিছু মানুষ নিজ এলাকা, নিজ সমাজ কিংবা নিজ দেশের প্রতিও ক্ষুব্ধ হয়ে উঠতে পারে; এটি ঘটে যখন সেখানে তার জীবন, সম্পদ ও আবেগের চরম ক্ষতি হয়েছে কিংবা যেখানে সে নিরাপদ অনুভব করে না। এর মনস্তাত্ত্বিক কারণ যুক্ত রয়েছে মস্তিষ্কের সবচেয়ে শক্তিশালী সার্ভাইভাল প্রোগ্রামের সাথে। আমাদের মনের গভীরে আত্মার পরিধি যতই বড় হোক না কেন, মূল কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময় অ্যাক্টিভ হয়ে থাকে ‘নিজেকে বাঁচানো’ বা অস্তিত্বের সুরক্ষার প্রয়োজন। তাই যতদিন পর্যন্ত দেশ বা সমাজ আমাদের নিরাপত্তা দেয়, ততদিন ব্রেইন দেশকে ভালোবাসে; কিন্তু যখন অধিকার, জীবন ও সম্পদের ওপর হুমকি আসে, তখন ব্রেইন অ্যামিগডালা বিপদের সাইরেন বাজিয়ে দিয়ে সেখান থেকে পালাতে চায়।

তাহলে এটা স্পষ্ট যে, দেশপ্রেমের মূল সূত্রটি হলো নিরাপত্তা। মানুষ যেখানে নিরাপদ অনুভব করে, সেখানেই যেতে চায়; মানুষ যেখানে তার জীবন, সম্মান ও সম্পদের নিরাপত্তাবোধ করে, সেখানেই বাস করতে পছন্দ করে। তাই কোনো রাষ্ট্রের মেধাবী ছেলেরা যখন দেশ ত্যাগ করে বিদেশে পাড়ি জমায় কিংবা দেশের কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী হয় না, এটা তাদের দোষ বা ভুল নয়, বরং এটা সমাজ হিসেবে সেই জাতির ব্যর্থতা। এটি কেবল রাষ্ট্রের ব্যর্থতা নয়, বরং জাতি হিসেবে সব নাগরিকের সম্মিলিত দুর্বলতার প্রকাশ।

আমি আমার প্রতিবেশীর সাথে যেমন আচরণ করি, বিক্রেতা তার ক্রেতার সাথে যেমন ব্যবহার করেন, শিক্ষক তার ছাত্রদের সাথে যেভাবে সম্পর্ক সৃষ্টি করেন, গাড়িচালক তার যাত্রীদের সাথে যেমন আচরণ করেন, আইনকে যেভাবে বিচারের জন্য ব্যবহার করা হয়, সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি সদস্য জনগণের সাথে যেভাবে ব্যবহার করেন—সেই সামগ্রিক আচরণগত সংস্কৃতি থেকেই গড়ে ওঠে দেশপ্রেমের শক্তি। তবে কেবল এখানেই শেষ নয়, মানুষ নিজে যা অভিজ্ঞতা অর্জন করে, তার চেয়েও বেশি চারপাশের প্রচারিত গল্প দ্বারা প্রভাবিত হয়। যে সমাজের মানুষ দেশ ও জাতি সম্পর্কে নেতিবাচক গোলকধাঁধাঁয় পড়ে, নেতিবাচক ছবি বা ভিডিও দেখে, সেটাই ধীরে ধীরে জাতির মনস্তত্ত্বে স্থায়ী হয়। তাই দেশপ্রেমের চাষাবাদে প্রত্যেক লেখক, প্রত্যেক কবি, প্রত্যেক সংগীতশিল্পী, চিত্রশিল্পী, ইনফ্লুয়েন্সার এবং আসলে সমাজের প্রতিটি মানুষ যুক্ত থাকে। বিন্দু বিন্দু জল যেমন সাগর সৃষ্টি করে, তেমনি দেশপ্রেম হলো প্রতিটি নাগরিকের আচরণের সম্মিলিত প্রকাশ।

দেশপ্রেমই দেশের শক্তি, একতাই জাতির নিরাপত্তা; তাই শত্রুদেশগুলো টার্গেট রাষ্ট্রের জনগণের মাঝে কৌশলে এমন মিডিয়া প্রচার চালায়, যার মাধ্যমে জাতির মনস্তত্ত্বে নেতিবাচক অনুভূতি জমা হতে থাকে। তারা দেশের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দেখাতে চায়। তারা যদি কোনো দেশের সেনাবাহিনীকে দুর্বল করতে চায়, তবে এমন গল্প সৃষ্টি করে, শর্টস বা রিলস বানায় ও নিউজ করে, যা বাহিনীর সাথে জনগণের সম্পর্ককে ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। তারা সেনাসদস্যদের একটি আলাদা শ্রেণি হিসেবে উপস্থাপন করে এবং জনগণকে বলে যে, “ওরা সেনাবাহিনী আর তোমরা সাধারণ।” তারা যদি রাজনৈতিক নেতাদের জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন করতে চায়, তবে নেতাদের ভুলগুলো বারবার সামনে নিয়ে আসে। তারা যদি দেশকে দুর্বল করতে চায়, তবে মানুষদের নানা দল, উপদল, শ্রেণি ও গোষ্ঠীতে ভাগ করে গল্প বানাতে থাকে। তারা বলে, “ওরা পাহাড়ি আর তোমরা সমতলী” কিংবা “ওরা এই ধর্ম আর তোমরা সেই ধর্ম”। এমনকি তারা একই ধর্মের মাঝেও নানা প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে মত ও পথের বিভেদ তৈরি করে। অবশ্য তারা এসব ক্ষেত্রে এমন সব উৎস ব্যবহার করে, যেখানে হয়তো কিছুটা সত্যতা থাকে; যেমন কেউ কোনো অপরাধ করলে তারা খুঁজে বের করে সেই অপরাধী কোন মতের বা কোন প্রতিষ্ঠানের। এরপর তারা সুবিধামতো সেই প্রতিষ্ঠান কিংবা সেই মতাদর্শের ওপর দোষ চাপিয়ে নিউজ করে, ভিডিও বানায় এবং গল্প ছড়ায়।

তাহলে এই লেখার উদ্দেশ্য কী ছিল? উদ্দেশ্য হলো, আমরা যেন সত্যতা বুঝতে আরও সচেতন হই এবং একটি জাতি হিসেবে নিজেদের রক্ষা করতে পারি। আমরা যেন প্রতিটি আচরণ করার আগে চিন্তা করি যে, আমার এই একটি আচরণ কীভাবে সমগ্র জাতির দেশপ্রেম মজবুত করতে পারে কিংবা দেশপ্রেমের দেয়ালে ক্ষত সৃষ্টি করতে পারে। সচেতন আচরণই হোক আমাদের দৈনন্দিন জীবন।

(মাইন্ড-ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের গবেষক)

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights