ক্রেতাদের ভিড় অনেক বেশি

এবার রোজার শুরু থেকেই ক্রেতাদের ব্যাপক সমাগম চোখে পড়েছে রাজধানীর বিপণিবিতান থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। গতকালও ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্রেতা-বিক্রেতাদের দম ফেলার সময় ছিল না। কারণ দ্রুত শপিং শেষ করে গন্তব্যস্থলের উদ্দেশে রওনা দিতে চান সবাই। গতকাল বসুন্ধরা সিটি শপিং মলের চারপাশ ঘিরে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়। সেখানে ঢাকা জামদানি কুটিরে কথা হয় ব্যাংকার তুহিন আরার সঙ্গে। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার ঈদ উপলক্ষে মানুষ অনেক বেশি রিলাক্স বোধ করছে। আর ঈদে প্রতি বছর আমি বসুন্ধরা সিটিতেই শপিং করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। নামিদামি সব ব্র্যান্ড এখানে এক ছাদের নিচে পাওয়া যায়। বসুন্ধরা সিটিতে রয়েছে জ্যোতি, জামদানি হাউস, নীল আঁচল শাড়িজ, কালাঞ্জলি শাড়িজ, ঢাকা জামদানি কুটির, শাড়িবাজার, শালিমার, অর্চিসহ অনেক অভিজাত শাড়ির দোকান। রাজধানীর আফতাব নগর থেকে শপিং করতে এসেছেন নিশাত নাসনীম। তিনি বলেন, এখন চলছে শেষ মুহূর্তের কেনাকাটা। থ্রিপিস, শাড়ি আগেই কিনেছি। আজ গহনাসহ আরও কিছু অনুষঙ্গ কেনার পাশাপাশি মায়ের জন্য শাড়ি কিনব। প্রতি বছর ঈদে এখানে এসে শাড়ি কিনি। তবে ঈদ ছাড়া সারা বছর আমাদের এখানে আশা হয়। বাসা থেকেও কাছে। বসুন্ধরার দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলায় রয়েছে ক্যাটস আই, এমব্রেলা, ফিট এলিগ্যান্স, রাইজ, র’নেশন, প্লাস পয়েন্ট, ইজি ফ্যাশন, আর্টিসান, টুয়েলভ, জেন্টল পার্ক, ইনফিনিটি, রিচম্যান, লুবনান, দর্জিবাড়ি, ইল্লিয়্যিন প্রভৃতি ফ্যাশন ব্র্যান্ডের একাধিক শোরুম। সব দোকানেই প্রচুর ভিড় লক্ষ করা গেছে। অপরদিকে গতকাল নিউমার্কেটেও চোখে পড়েছে উপচে পড়া ভিড়। এ ছাড়া নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের ভরসা মৌচাক, মোহাম্মদপুর, উত্তরা, রামপুরা, মালিবাগের ফুটপাতের দোকানগুলো। এখানেও ক্রেতাদের প্রচুর ভিড় দেখা গেছে। সন্ধ্যার পর নারী ক্রেতাদের ভিড় অনেক বেশি থাকে জানিয়ে একাধিক বিক্রেতা বলেন, নারীরা সাধারণত দিনের বেলা সাংসারিক কাজে ব্যস্ত থাকেন। ফলে তারা সন্ধ্যার পর বাজারে আসেন। আর কেনাকাটা করেন গভীর রাত পর্যন্ত। তাদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে লেহেঙ্গা, থ্রিপিস ও শাড়ি। ভারতীয় ও পাকিস্তানি কাপড়ের চাহিদাও বেশি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights