খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান
অনলাইন ডেস্ক
খার্গ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে—এমন আশঙ্কায় প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি জোরদার করছে ইরান। সম্ভাব্য স্থল অভিযানের কথা মাথায় রেখে সেখানে ফাঁদ পেতেও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে একাধিক সূত্র।
সূত্রগুলো বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় ইরান সক্রিয়ভাবে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সাজাচ্ছে। বিশেষ করে খার্গ দ্বীপে কোনো স্থল আক্রমণ হলে তা প্রতিহত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
পারস্য উপসাগরে ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই খার্গ দ্বীপ। আকারে এটি যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। দ্বীপটি কড়া সামরিক নিয়ন্ত্রণে থাকায় ইরানিদের কাছে এটি ‘নিষিদ্ধ দ্বীপ’ হিসেবেও পরিচিত।
ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেলক্ষেত্র—আহভাজ, মারুন ও গাচসারান—থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপে আনা হয়। এখান থেকেই তেলের বড় অংশ বিদেশে পাঠানো হয়।
দ্বীপটির দীর্ঘ জেটিগুলো গভীর পানিতে অবস্থিত। বড় তেলবাহী জাহাজ সেখানে সহজেই ভিড়তে পারে। ইরানের মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশ এই খার্গ দ্বীপ দিয়েই প্রক্রিয়াজাত হয়। এ কারণে দ্বীপটি ইরানের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতীতে যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ এক প্রতিবেদনে এটিকে ইরানের তেল ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হিসেবে উল্লেখ করেছিল।
সম্প্রতি ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ বলেন, এই তেল টার্মিনাল ধ্বংস করা গেলে ইরানের অর্থনীতি বড় ধাক্কা খাবে এবং সরকারও দুর্বল হয়ে পড়বে।
