গাজা থেকে ঘুড়ি ওড়ালেও মিলবে ‘কঠোর’ জবাব, হুঁশিয়ারি ইসরায়েলের

অনলাইন ডেস্ক

গাজা থেকে ঘুড়ি ওড়ালেও কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরায়েল। তাদের ভূখণ্ডের দিকে ঘুড়ি, ড্রোন বা বেলুন পাঠানো হলে গাজায় সামরিক হামলা আরও তীব্র করা হবে বলে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

ইসরায়েলের স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহান্তে গাজা সীমান্তের কাছের ইসরায়েলি এলাকাগুলোতে কয়েকটি ঘুড়ি পাওয়া গেছে। গত শুক্র ও শনিবারে গাজা সীমান্ত থেকে প্রায় ৮০০ মিটার দূরের কিববুজ নাহাল ওজে ৪ টি ঘুড়ি পাওয়া যায় এবং দক্ষিণ ইসরায়েলেও গত সপ্তাহে কয়েকটি ঘুড়ি পাওয়া গেছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সোমবার বলেছেন, “এ ধরনের (ঘুড়ি উড়ানো) ঘটনার অবসান ঘটাতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের খবরে সামরিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, তাদের বিশ্বাস এই ঘুড়ি ওড়ানোর পেছনে আছে হামাস। তারা হয়ত ইসরায়েলের জবাব দেওয়ার ক্ষমতা পরীক্ষা করতে চাইছে। তবে ঘুড়িগুলোতে সন্দেহজনক কিছু জুড়ে দেওয়া নেই এবং সেগুলো কোনও হুমকি না বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

তারপরও ইসরায়েল কাটজ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, “এরকম ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতি নেওয়া হবে।”

গাজা থেকে ওড়ানো বেলুন বা ঘুড়িকে তিনি ড্রেনের মতো বিপজ্জনক অস্ত্র হিসেবে গণ্য করার হুশিয়ারি দিয়েছেন, যার মানে সেগুলোর সঙ্গে বিস্ফোরক জুড়ে দেওয়া থাকুক বা না থাকুক কোনও ছাড় দেওয়া হবে না এবং কঠোর সামরিক জবাব দেওয়া হবে।

গাজায় যুদ্ধের আগে, আগুন ধরানোর যন্ত্র বহনকারী ঘুড়ি ও বেলুন ইসরায়েলে পাঠানো হত, যার ফলে আগুন লেগে বন ও কৃষিজমি পুড়ে যেত।

হামাস নতুন করে ঘুড়ি ওড়ানোর দায় অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, বিস্ফোরকবিহীন এই ঘুড়িগুলো এমন শিশুদের হতে পারে যারা ধ্বংসস্তূপের মাঝে নিজেদের নিষ্পাপ শৈশব খুঁজে ফিরছে।

হামাস অভিযোগ করে বলেছে যে, গতবছর অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হওয়ার পরও গাজায় বিমান হামলা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ইসরায়েল ঘুড়িগুলোকে ‘অজুহাত’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

সূত্র: বিবিসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights