গ্রামবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করলেন বিএনপি নেতা

নাটোর প্রতিনিধি

বর্ষার পানিতে কালভার্টের দুই পাশের রাস্তা ডুবে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার মশিন্দা ইউনিয়নের বিলকাঠো মধ্যপাড়া গ্রামের শত শত পরিবার। রাস্তা ডুবে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারছে না। কৃষকরাও ঘরে তুলতে পারছেন না জমির ফসল।

দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগ লাঘবে গ্রামবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে প্রায় ২০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে। সোমবার দিনভর স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশ কেটে সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার প্রত্যন্ত বিলকাঠো মধ্যপাড়া গ্রামের মরা নদীর ওপর নির্মিত কালভার্টের দুই পাশের কাঁচা রাস্তা বর্ষার পানিতে তলিয়ে গেছে। পাশেই রয়েছে বিলকাঠো প্রাথমিক বিদ্যালয়, দাখিল মাদ্রাসা, মসজিদ ও আদর্শ গ্রাম। প্রায় দেড় মাস ধরে পানিতে ডুবে আছে প্রায় এক কিলোমিটার কাঁচা রাস্তা। ফলে দুই পাড়ের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

বিলকাঠো দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আব্দুল মোমিন বলেন, কালভার্টের ডুবে থাকা কাঁচা রাস্তা দিয়ে মসজিদে যাওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদের বই-ব্যাগ ভিজে যায়। পারাপারের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। একপর্যায়ে এলাকাবাসীর পরামর্শে আবুল কালাম আজাদের কাছে গেলে তিনি নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের সঙ্গে বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে দেন।

স্থানীয় কৃষক আব্দুল গফুর, মঞ্জিল মোল্লা, খবির মণ্ডল ও শফিকুল ইসলাম বলেন, বর্ষা এলেই মরা নদীর পানি বেড়ে যায়। তখন চলাচলের একমাত্র রাস্তা ও কালভার্ট পানিতে ডুবে থাকে। ছেলে-মেয়েরা স্কুলে যেতে পারে না, কৃষকরাও ফসল ঘরে তুলতে পারেন না। এখন ২০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ হওয়ায় চলাচলের দুর্ভোগ কিছুটা কমেছে।

বিএনপি নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের নির্দেশনায় বিলকাঠো মধ্যপাড়ার কাঁচা রাস্তাটি পাকাকরণের জন্য আবেদন করা হয়েছে। রাস্তার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights