চাঁদপুর বিটাকে কর্মক্ষম পাঁচ শতাধিক যুবককে প্রশিক্ষণ
চাঁদপুর প্রতিনিধি
চাঁদপুর শহরে ওয়্যারল্যাস এলাকায় অবস্থিত বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৫শ’ ৫৫ জন কর্মক্ষম যুবককে প্রশিক্ষণ প্রদান করছে।
কেন্দ্র প্রধান জানান, মূলত নারীদের অগ্রাধিকার দিয়েই ‘সেলফ এমপ্লয়মেন্ট এন্ড পোভার্টি এলিভিয়েশন (এস.ই.পি.এ)’ এর অধীনে ১৩টি ব্যাচের প্রশিক্ষন সম্পন্ন হলেও বর্তমানে ১৪তম ব্যাচ চলমান রয়েছে।
বিটাক মহিলাদের অগ্রধিকার ভিত্তিতে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচনে তিন মাস ব্যাপি ৩টি ট্রেডে ৯০ জন পুরুষের প্রশিক্ষণ কোর্স চালু রয়েছে। যদিও চাঁদপুর কেন্দ্রে নারীদের আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় এখানে পুরুষরাই প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত হচ্ছে।
প্রাপ্ত তথ্য মতে, সারাদেশে নারীদের অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্রে হাতে কলমে মহিলাদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ‘আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচন শীর্ষক’ (সেপা) প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। প্রশিক্ষণ বিভাগ ৩টি ট্রেড ইলেকট্রিক্যাল মেইনটেনেন্স, আর্ক এন্ড গ্যাস ওয়েল্ডিং ও মেশিন শপ, এ জেলার কর্মক্ষম যুবকদের আবাসন পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। প্রশিক্ষণ শেষে কর্মক্ষম যুবকরা দেশের বিভিন্ন সংস্থায় কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছে।
কারিগরি প্রশিক্ষণ ব্যতীত বিদেশ গমনেচ্ছুদের শ্রম বাজারে সফলতা আর সম্ভব নয়। সেদিক থেকে প্রত্যেক প্রশিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্যে এই কোর্সগুলো মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কারিগরি এই প্রশিক্ষণটি বিদেশ গমনেচ্ছুদের শ্রম বাজারেও একটি সুবর্ণ সুযোগ করে দেবে। প্রবাসীদের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট নিয়মনীতি বিবেচনায় এই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
চাঁদপুরে বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এর কেন্দ্র প্রধান প্রকৌশলী মো. ওমর ফারুক বলেন, এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে, তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন ও শিল্পে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। সরকার দেশের বেকার ও দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে সরকারি অর্থায়নে হাতে কলমে মহিলাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ‘আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র বিমোচন শীর্ষক প্রকল্প’ (সেপা) এর মাধ্যমে বেকারদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। শিল্প মন্ত্রণালয় বেকারদের চাকরিরর অঙ্গীকার বাস্তবায়নে শিল্প ও কারিগরি সহায়তার এই প্রকল্পটি গ্রহণ করেছে। এতে করে দেশে ও বিদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।
