চার মাসের জন্য এক সাঁকোয় ভরসা ৪ হাজার মানুষের
সৈয়দ নোমান, কিশোরগঞ্জ (অষ্টগ্রাম) থেকে
চারদিকে শুধু পানি আর পানি। সেই পানির বুক চিরে সরু একটি বাঁশ-কাঠের সাঁকো চলে গেছে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। প্রায় ৩০০ ফুট দীর্ঘ ও মাত্র চার ফুট প্রশস্ত সাঁকোটির নিচে প্রায় ১০ ফুট গভীর পানি। অথচ এই ঝুঁকিপূর্ণ পথই বর্ষায় কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান ভরসা। বর্ষার প্রায় চার মাস পানিবন্দি হয়ে পড়ে গ্রামটি। তখন বাজার, স্কুল-মাদ্রাসা, চিকিৎসা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে যেতে হলে এই সাঁকোই হয় ভরসা। প্রতিদিন গড়ে দেড় শ মানুষ পাড়ি দেন সাঁকোটি। বিনিময়ে গুনতে হয় জনপ্রতি ১০ টাকা। অর্থাৎ পানির ওপর তৈরি এই অস্থায়ী পথ শুধু ঝুঁকিপূর্ণই নয়, প্রতিদিনের যাতায়াতেও তৈরি করছে বাড়তি খরচ। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিন বছর আগে গ্রামের বাদশালা মদিনাতুল উলুম আল ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্যোগে সাঁকোটি নির্মাণ করা হয়। বাঁশ ও কাঠ দিয়ে তৈরি সাঁকোটির নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় আড়াই লাখ টাকা। স্থানীয় ইউপি সদস্য খসরু মিয়া বলেন, ভাতশালা গ্রামের যোগাযোগ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে স্থানীয় বিএনপির নেতারা বর্তমান সংসদ সদস্যের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের একটি লিংক রোড নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
