ঝগড়া বাঁধিয়ে ছিনতাই করাই পেশা মুক্তা বেগমের

নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝগড়া বাঁধিয়ে মোবাইল-টাকা হাতিয়ে নেন মুক্তা। বিউটি পার্লারে সেজে নিজেকে উচ্চবিত্ত ভাব দেখিয়ে ছিনতাই করেন মিরপুরের তালিকাভুক্ত শীর্ষ নারী ছিনতাইকারী এই মুক্তা বেগম। আবারও পুলিশের জালে আটকা পড়েছেন তিনি। গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় মিরপুর থানার ১০ নং সেকশনের ওয়াসা ভবনের সামনে থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিরপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন।

তিনি বলেন, মুক্তা মার্কেটে গিয়ে কোনো মেয়ের সাথে ঝগড়া বাঁধিয়ে দেন, এরপর সুযোগ বুঝে মোবাইল, টাকা হাতিয়ে পালিয়ে যান। গ্রেফতার মুক্তা তালিকাভুক্ত শীর্ষ নারী ছিনতাইকারী। তার বিরুদ্ধে নগরীর বিভিন্ন থানায় ৭ টি মামলা রয়েছে। তিনি ৭ বার গ্রেফতারও হন।

ওসি মোহাম্মদ মহসীন আরো জানান, তিনি (মুক্তা) প্রথম তার মায়ের কাছ থেকে চুরি শেখেন। মায়ের সাথে থেকেই টুকটাক শিখে চুরি করতেন। কিন্তু মা অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়লে নিজেই দল গড়েন মুক্তা। সাথে একজনকে নিয়ে পুরো ঢাকা শহরে ছিনতাই শুরু করেন। মানুষের সন্দেহ এড়াতে তিনি অভিনব এক কৌশল গ্রহণ করেন। প্রতিবার ছিনতাইয়ে বের হওয়ার আগে বিউটি পার্লারে গিয়ে সেজে আসেন তিনি। বিউটি পার্লারের সাজ এবং বেশভূষা দেখে উচ্চবিত্ত মহিলা মনে হওয়ায় সহজেই কেউ সন্দেহ করে না তাকে। আর এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ছিনতাই করে যাচ্ছেন মুক্তা। গতকালও একই কায়দায় শাওন আফরোজ নামের এক মেয়ের মোবাইল ও ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন মুক্তা। কিন্তু মেয়েটির চিৎকারে আশেপাশের লোক এসে তাকে আটক করে। পরে ৯৯৯ এ ফোন করলে মিরপুর থানা পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেফতার করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights