টাকার জন্য ওয়াসিম-ওয়াকার সবকিছু করতে পারে: রশিদ লতিফ

অনলাইন ডেস্ক
প্রায় তিন দশক পর পাকিস্তান কোনো আইসিসি ইভেন্টের আয়োজক হয়েছিলো। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে এই টুর্নামেন্ট মাঠে গড়ালেও তাদের আনন্দটা টিকল না বেশিক্ষণ।

টুর্নামেন্টের এক সপ্তাহ না যেতেই যে দলটার বিদায়ঘণ্টা বেজে গেছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে পাকিস্তানের ব্যর্থতার পর বেশ কড়া ভাষায় সমালোচনা করতে দেখা যায় দেশটির কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম ও ওয়াকার ইউনিসকে।

এবার তাদেরই একহাত নিলেন নব্বইয়ের দশকের আরেক ক্রিকেটার রশিদ লতিফ। পাকিস্তানের সাবেক এই উইকেটকিপার–ব্যাটসম্যান ওয়াসিম-ওয়াকারের প্রতি নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।

জিও নিউজকে রশিদ লতিফ বলেছেন, ‘পাকিস্তানকে আরেকটি (১৯৯২–এর পর) বিশ্বকাপ জিততে ১৭ বছর লেগেছে। কারণ, নব্বইয়ের দশকের খেলোয়াড়েরা পাকিস্তান ক্রিকেটের যা–তা অবস্থা করেছে। নব্বইয়ের দশকের খেলোয়াড়দের দল এবং ম্যানেজমেন্ট থেকে দূরে রাখুন, তাহলেই তারা জিততে পারবে। তারা তো অনেক দিন ধরে পাকিস্তান ক্রিকেটে কাজ করছে, তাই আমি মনে করি, এখন তাদের বিশ্রাম নেওয়া উচিত।’

রশিদের মধ্যে ওয়াসিম ও ওয়াকারের প্রতি রশিদের ক্ষোভটা একটু বেশিই দেখা গেছে। দুই কিংবদন্তি পাকিস্তানি পেসার দুবাই থেকে টেলিভিশন শো করছেন বলে রশিদ নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তাঁদের ‘দুবাই বয়েজ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

রশিদের দাবি, টাকা দিলে এই দুই ক্রিকেটার নাকি যেকোনো কিছু করতে পারেন। তিনি বলেছেন, ‘দুবাইয়ের ছেলেরা একেবারে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। এখন তারা একে অন্যের পিঠ চাপড়ে দিচ্ছে আর নিজেরা খুশি থাকছে। অথচ তারা তাদের পুরো ক্যারিয়ারজুড়ে একে অন্যের সঙ্গে লড়াই করেছে, আমাদের আগুনের মধ্যে ঠেলে দিয়েছে। অদ্ভুত মানুষ এরা! তাদের সামনে টাকা ফেলুন, তারা সবকিছু করতে রাজি।’

এর আগে নব্বইয়ের দশকের খেলোয়াড়দের সমালোচনা করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার মোহাম্মদ হাফিজও।

তিনি বলেছিলেন, ‘১৯৯০-এর দশকে যারা খেলেছেন, আমি তাঁদের অনেক বড় ভক্ত। কিন্তু লিগ্যাসির কথা বলতে গেলে, তাঁরা পাকিস্তানের জন্য কিছুই রেখে যাননি। তারা আইসিসির কোনো ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি—১৯৯৬, ১৯৯৯ ও ২০০৩ বিশ্বকাপে হেরে গেছেন। একবার ফাইনালে (১৯৯৯ বিশ্বকাপ) উঠেছিলেন, কিন্তু বাজেভাবে হেরে গেছেন।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights