ট্রাম্পের ইরানে হামলার সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস।
এই যুদ্ধ থেকে বের হতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে স্পষ্ট কোনও কৌশল নেই বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।
রিভস বলেন, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন। এর ফলে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হ্রাস এবং কর আদায় কমে যাওয়ার মতো প্রভাব দেখা দিতে পারে।
এদিকে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ইরান যুদ্ধে জড়াতে অস্বীকৃতি জানানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দেশটির সম্পর্কে অবনতি দেখা গেছে।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ট্রাম্প বারবার ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা বানিয়েছেন। যুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রকে যৌথ সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি যুক্তরাজ্য। তখন থেকেই স্টারমারের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈরিতা শুরু। পরবর্তীতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষামূলক ব্যবহারের জন্য সেই ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হলেও ট্রাম্পের সমালোচনা থামেনি।
রিভস বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরু করার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে আমি ক্ষুব্ধ। এই যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার কোনও স্পষ্ট পরিকল্পনা নেই। এ কারণেই আমরা এতে যুক্ত হতে চাইনি।
তিনি আরও জানান, সরকার পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তেল ও গ্যাস যুক্তরাজ্যে আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, যাতে সরবরাহ নিশ্চিত থাকে এবং দাম কমানো যায়।
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির চাপ মোকাবিলায় সরকারের পদক্ষেপের পক্ষেও কথা বলেন রিভস। এ সময় বিরোধী দলগুলো জ্বালানি খরচ বৃদ্ধির প্রভাব থেকে জনগণকে সুরক্ষা দেওয়ার বিষয়ে আরও বিস্তারিত পরিকল্পনা দাবি করেছে।
কনজারভেটিভ পার্টি ও রিফর্ম ইউকে উভয়ই গৃহস্থালি জ্বালানি বিল থেকে ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। পাশাপাশি সেপ্টেম্বর থেকে জ্বালানি শুল্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে তারা।
লিবারেল ডেমোক্র্যাটরাও শুল্কবৃদ্ধির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। অন্যদিকে গ্রিন পার্টি বলছে, জুলাই থেকে মূল্যসীমা পুনর্নির্ধারণের সময় সরকারকে এখনই বিলিয়ন পাউন্ড ভর্তুকি দেওয়ার অঙ্গীকার করতে হবে। সূত্র: বিবিসি
