দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ঘুষ কেলেঙ্কারি দুদকের তদন্তে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে
আব্দুস সালাম, দিনাজপুর প্রতিনিধি ॥ দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে অডিট চলাকালে ঘুষ
লেনদেনের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ১২ জানুয়ারি
২০২৫ রোববার এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চালিয়ে নিশ্চিত করেছে। বিকেলে অভিযান শেষে
গণমাধ্যমের সামনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদকের দিনাজপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক
ইসমাইল হোসেন।
এদিন সকাল ১১টায় দুদকের একটি দল দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে অভিযান শুরু করে এবং তা চলে
বিকেল ৪টা পর্যন্ত। অভিযানে ছিলেন সহকারী পরিচালক খায়রুল বাশার, ইসমাইল হোসেন এবং
উপসহকারী পরিচালক আলম মিয়া।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষা অডিট অধিদপ্তরের একটি দল পাঁচটি শিক্ষা
বোর্ডে নিরীক্ষা কার্যক্রম চালায়। এর মধ্যে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডে ১৪ থেকে ২৮ নভেম্বর
পর্যন্ত নিরীক্ষা চলাকালে অভিযোগ ওঠে, অডিটরদের সাড়ে ২১ লাখ টাকা ঘুষ দেওয়া হয়েছে।
তদন্তে উঠে আসে, ময়মনসিংহ ও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডেও ১৮ লাখ টাকার ঘুষ লেনদেন হয়েছে।
সব মিলিয়ে এ ঘুষের পরিমাণ দাঁ—ায় ৩৯ লাখ টাকা।
দুদক কর্মকর্তা ইসমাইল হোসেন জানান, পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখে এই তদন্ত শুরু
হয়। অভিযানে ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এ
ছা—া বোর্ডের ক্রয় কার্যক্রম, সম্মানী বাবদ ব্যয়ের অনিয়মসহ আরও বেশ কিছু বিষয়ে
গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। নয়জন কর্মকর্তাÑকমর্চারীকে জিজ্ঞাসাবাদও করা
হয়েছে।
ইসমাইল হোসেন আরও জানান, তদন্তের অংশ হিসেবে সংগ্রহ করা নথি পর্যালোচনা করে দ্রুত
একটি প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেওয়া হবে। এরপর কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
