নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনার সম্পর্কে যা জানা গেল
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সরকারের অবসরপ্রাপ্ত সচিব এএমএম নাসির উদ্দীন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তার সাংবিধানিক ক্ষমতা বলে এ নিয়োগ দিয়েছেন। একইসঙ্গে আরও চার নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদের সই করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়।
জানা গেছে, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড়ের উত্তর মগডেইলের মৌলবী বাড়ির মাস্টার তালেব উল্লার সন্তান এই নাসির উদ্দীন।
অবসরপ্রাপ্ত এই সচিব ১৯৬৮ সালে কুমিল্লা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় মানবিক বিভাগ থেকে পাশ করেন। তিনি কুতুবদিয়া হাই স্কুলের ছাত্র ছিলেন। এরপর নাসির উদ্দীন ভর্তি হন চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে। এরপর তিনি পড়ালেখা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে যখন নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস (বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা) চেয়ারম্যান ছিলেন সেই সময় দুই বছর নাসির উদ্দীন একই বিভাগে শিক্ষকতা করেন।
গতকাল বৃহষ্পতিবার দুপুরে তাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের সংবাদটি প্রচার হবার মুহূর্তেই কুতুবদিয়া দ্বীপে ছড়িয়ে পড়ে। এমন সংবাদে দ্বীপবাসী আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠেন। সেই সাথে খুশি হয়েছেন পুরো কক্সবাজারবাসী।
কুতুবদিয়া দ্বীপের দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জালাল আহমদ বলেন, সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক এবং সততায় পরীক্ষিত একজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা তিনি। তাকে এতবড় দায়িত্বে নিয়োগ করায় দেশের মানুষ আস্থাশীল হতে পারবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ছোট ভাই কুতুবদিয়া দ্বীপের বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আ. ন. ম শহীদ উদ্দীন ছোটন বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, তারা ৫ ভাই এবং ৫ বোন। এর মধ্যে নাসির উদ্দীন সবার বড়। পরবর্তী তিন ভাইয়ের মধ্যে কনিষ্ঠ ভাই সাইফুদ্দিন লিটন একজন চাটার্ড একাউন্টেন্ট, মনজুরুর আনোয়ার সরকারের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত সচিব এবং ডাক্তার মিনহাজ উদ্দীন আলমগীর।
