নিষেধাজ্ঞা শেষে চাল বিতারণ, জেলেদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া

ভোলা প্রতিনিধি
ভোলা সদর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নে আজ জেলেদের জন্য বরাদ্দকৃত ভিজিএফ’র চাল বিতরণ করা হয়েছে। দুপুর ১২ টায় শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. জসিম উদ্দিন ইউনিয়নের এক হাজার ৪৩০ জন জেলের মাঝে এই চাল বিতরণ করেন। তবে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর চাল বিতরণ করা নিয়ে জেলেদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দাবি নিষেধাজ্ঞা শুরু হয়ার শুরুতেই যেন প্রণোদনার এই চাল বিতরণ করা হয়।

চাল বিতরণকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জামাল হোসাইন, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জামাল উদ্দিন ও রাজিবসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা ও কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম মার্চ এপ্রিল দুই মাস মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীতে ইলিশ মাছসহ সকল প্রকারের মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা ছিল। নিষেধাজ্ঞা চলাকালীণ জেলেদের সহায়তার জন্য প্রত্যেক জেলেকে ৪০ কেজি করে দুই মাসে ৮০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।
মৎস্য বিভাগ জানায়, ভোলা ভোলার সাত উপজেলায় সরকারিভাবে নিবন্ধিত জেলে আছেন এক লাখ ৫৯ হাজার। এদের মধ্যে ৮৯ হাজার ৪১০ জন জেলেকে সরকারি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে জেলেরা জানান, নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর এখন চাল দিয়েছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার শুরুতেই যদি এই চাল বিতরণ করা হয় তা হলে বেশি উপকার হবে। তা না হলে যেসব জেলে দিন এনে দিন খায় তারা পেটের দায়ে রাতের আধারে নদীতে নামে মাছ ধরতে। পেটের ক্ষুধাতো নিষেধাজ্ঞা বোঝেনা।

জেলেরা আরও জানান, সরকার মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়ে জেলেদেরকে চাল দিচ্ছে। একটা সংসারে তো চালের সাথে আরও অনেক কিছু লাগে। তা ছাড়া এই চালও ঠিক মত পাওয়া যায় না। তাই যদি জেলেদেরকে চাল না দিয়ে মোবাইলের মাধ্যমে নগদ টাকা দিয়ে দিত তা হলে অনেক ভাল হত। চালতো তছরুপ হয়। টাকা দিলে জেলেদের হাতে ঠিক মত পৌঁছাত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights