পতিত জমিতে পেঁপে চাষে বাজিমাত

বর্ষা মৌসুমে অন্যান্য সবজি কম থাকে এবং বাজারে পেঁপের চাহিদা থাকে বেশি। তাই উচ্চ ফলনশীল পেঁপে চাষ করে লাভবান হয়েছেন কৃষক আলতাফ হোসেন। তিনি রাস্তার ধারেসহ পতিত জমিতে বাণিজ্যিকভাবে পেঁপে চাষ করে সাড়া ফেলেছেন।

অন্যদিকে রাস্তার ধারে সারি সারি সবুজ পরিবেশে পেঁপে গাছ দৃষ্টিনন্দন হয়ে পথচারীসহ সবার দৃষ্টিও কেড়েছে। রাস্তার পাশে যেন সবুজের সমারোহ।

দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার খামারপাড়া ইউপির ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের আলতাফ হোসেন পেঁপে চাষ করেন। এ কাজে তাকে তার ছেলেও সহযোগিতা করেছেন। তারা সবধরনের ফসল চাষ করেন।

আলতাফ হোসেন কাঁচা রাস্তার ধারের আগাছা-জঙ্গল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে পরিত্যক্ত জায়গায় সারিবদ্ধভাবে থাইল্যান্ড গ্রিন লেডি জাতের উচ্চ ফলনশীল চারশ’ পেঁপে গাছ লাগিয়েছেন। গাছে পেঁপেও ধরেছে। তিনি খানসামার জমিদারনগর থেকে বরলাম বাজার যাওয়ার কাঁচা রাস্তার ধারে লাগানো গাছ থেকে এ পর্যন্ত ১০ মণের বেশি পেঁপে বিক্রি করেছেন। তিনি বাজারে প্রতি মণ পেঁপে ৭০০-৮০০ টাকা দরে বিক্রি করেন।
কৃষক আলতাফ হোসেন বলেন, এরই মধ্যে ১০ মণের বেশি পেঁপে বিক্রি করে দামও ভালো পেয়েছি। আগামীতে চাষাবাদের জমি ও রাস্তার দুই ধারে বেশি করে পেঁপে চাষ করবো।

পথচারী ফারুক হোসেন, রফিকুল ইসলাম বলেন, ওই রাস্তা দিয়ে হাট-বাজারে যাতায়াত করি। পাকা না হওয়ায় রাস্তার ধারে পরিত্যক্ত জায়গায় আগাছা ও বিভিন্ন জঙ্গল হয়েছিল। আলতাফ হোসেন সেসব আগাছা ও জঙ্গল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করে এবার পেঁপে চাষ করেছেন। তিনি একজন পরিশ্রমী কৃষক।

খানসামা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ইয়াসমিন আক্তার বলেন, আলতাফ হোসেন কৃষি বিভাগের পরামর্শক্রমে তিনি এ বছর সাড়ে তিন মাসে উচ্চ ফলনশীল গ্রিন লেডি পেঁপে চাষ করেছেন। বর্ষা মৌসুমে অন্যান্য সবজি কম থাকায় পেঁপের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। তিনি বিষয়টি মাথায় রেখে পেঁপে চাষ করেছেন। আশা করি, তিনি বাজারে ভালো দামে পেঁপে বিক্রি করে লাভবান হবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights