পন্টুন সরিয়ে উদ্ধার অভিযান মেলেনি নিখোঁজের সন্ধান
রাজবাড়ী প্রতিনিধি
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাসডুবির ঘটনায় চতুর্থ দিনের মতো উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের সদস্য, নৌবাহিনীর একটি ও কোস্টগার্ডের একটি দল উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা।
রাজবাড়ী ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক দেওয়ান সোহেল রানা বলেন, ‘আমরা সকালে চতুর্থ দিনের মতো উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য ৮টার দিকে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় আসি। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার অভিযান চরমভাবে ব্যাহত হয়। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়।’
তিনি আরও বলেন, বুধবার দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে ডুবে যায়। ওই ঘটনায় ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধানে ফেরিঘাটের পন্টুন সরিয়ে এর নিচে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে কোনো লাশের সন্ধান পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, বুধবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে দৌলতদিয়া প্রান্তের ৩ নম্বর ফেরিঘাট দিয়ে অর্ধশত যাত্রী নিয়ে একটি বাস পদ্মায় ডুবে যায়। ডুবে যাওয়ার ৬ ঘণ্টা পর বিআইডব্লিউটিএর উদ্ধারকারী জাহাজ হামজা পদ্মার তলদেশ থেকে বাসটিকে উদ্ধার করে। এ সময় ২৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে ১১ জন নারী, ৭ জন পুরুষ ও ৮ শিশু ছিল। রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার বলেন, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে যাত্রীবাহী বাসডুবির ঘটনায় ২৬ জনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে আছে। ফায়ার সার্ভিস, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল পদ্মায় উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
