পাকিস্তানের শান্তি কূটনীতি নিয়ে পেজেশকিয়ান-শাহবাজের ফোনালাপ
অনলাইন ডেস্ক
ইরানের ওপর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যৌথভাবে হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল। ওই দিন থেকেই পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে ইরানও। এভাবেই টানা ২৯তম দিন গড়িয়েছে যুদ্ধ। চলমান যুদ্ধ ও পাকিস্তানের শান্তি কূটনীতি নিয়ে ফোনালাপ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।
শনিবার এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলে তাদের ফোনালাপ। ফোনালাপে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ইরানের প্রেসিডেন্টকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা আয়োজনে পাকিস্তানের কূটনৈতিক উদ্যোগের কথা অবহিত করেছেন।
আঙ্কারা ও কায়রোর সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা তাঁদের এই কথোপকথনে দুই নেতা অঞ্চলের চলমান শত্রুতা এবং শান্তি প্রচেষ্টা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী ইরানি প্রেসিডেন্টকে তাঁর নিজের, উপ-প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইশাক দার এবং চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস ও সেনাবাহিনী প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের কূটনৈতিক তৎপরতা সম্পর্কে অবহিত করেন। শান্তি আলোচনার জন্য একটি ‘অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে’ তাঁরা যুক্তরাষ্ট্র, উপসাগরীয় দেশ এবং ইসলামি দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন।
প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের এই শান্তি উদ্যোগের প্রতি প্রাপ্ত ‘শক্তিশালী সমর্থন’ সম্পর্কেও ইরানি প্রেসিডেন্টকে ব্রিফ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিতভাবে শত্রুতা অবসানের একটি কার্যকর পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ ইরানে অব্যাহত ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে ‘ইরানের সাহসী জনগণের প্রতি’ পাকিস্তানের সংহতি ও সমর্থন পুনঃনিশ্চিত করেন।
ফোনালাপে শাহবাজ শরিফ ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে ইসরায়েলি হামলার তীব্র নিন্দা জানান ও ১ হাজার ৯০০-এর বেশি মানুষের প্রাণহানিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। হামলায় আহত ও বাস্তুচ্যুতদের দ্রুত আরোগ্যের জন্য প্রার্থনা করেন।
সূত্র : ডন
