‘পেপার প্যাকেজিং’ পণ্যকে ‘বর্ষ পণ্য’ ঘোষণা, শিল্পখাতে নতুন দিগন্তের সূচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ‘পেপার প্যাকেজিং’ পণ্যকে ২০২৬ সালের ‘বর্ষ পণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এ ঘোষণা দেশের পেপার প্যাকেজিং শিল্পের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ গার্মেন্টস এক্সেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিজিএপিএমইএ)।

শনিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিজিএপিএমইএ।

এতে বলা হয়, সরকার আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পের টেকসই উন্নয়ন এবং নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে ‘পেপার প্যাকেজিং’ পণ্যকে ২০২৬ সালের ‘বর্ষ পণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।

এ ঘোষণা দেশের পেপার প্যাকেজিং শিল্পের জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। এক সময় সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর এই খাত বর্তমানে দেশীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে রপ্তানি সক্ষমতা অর্জন করেছে।

বিজিএপিএমইএ-এর সভাপতি মো. শাহরিয়ার বলেন, ‘পেপার প্যাকেজিং শিল্প বাংলাদেশের গার্মেন্টস ও রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির একটি কৌশলগত সহায়ক খাত। ‘বর্ষ পণ্য’ ঘোষণার ফলে এই শিল্পে নতুন বিনিয়োগ, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।’

তিনি আরও বলেন, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্যাকেজিংয়ের প্রতি বৈশ্বিক চাহিদা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের পেপার প্যাকেজিং শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

বিজিএপিএমইএ সূত্রে জানা যায়, গার্মেন্টস শিল্পের শুরুর দিকে দেশের প্যাকেজিং খাত পুরোপুরি আমদানিনির্ভর ছিল। তবে উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগ, দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সরকারের নীতিগত সহায়তায় বর্তমানে এই শিল্প খাত স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights