প্রদর্শনীগুলো উদ্বোধন করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান
প্রদর্শনীগুলো উদ্বোধন করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠান সেমস-গ্লোবাল ইউএসএ অ্যান্ড এশিয়া প্যাসিফিকের প্রেসিডেন্ট অ্যান্ড গ্রুপ ম্যানেজিং ডিরেক্টর মেহেরুন এন. ইসলাম। আরও উপস্থিত ছিলেন সেমস-গ্লোবালের সিইও এস. এস. সারওয়ার প্রমুখ।
মেহেরুন এন. ইসলাম প্রদর্শনীগুলোর নানাবিধ বিষয় তুলে ধরে বলেন, বহুমাত্রিক শিল্পক্ষেত্র নিয়ে আয়োজিত এ প্রদর্শনীগুলো বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে আমরা আশাবাদী। একাধারে নির্মাণশিল্প, আবাসন ও বিদ্যুৎ শিল্পের অগ্রগতি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্মাণশিল্প বাজারের আকার ২০২৮ সালে ৪১.৪৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হবে বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত, যা ২০২৩ সালেও ছিল ৩০.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কাজেই বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক অগ্রগতির পেছনে নির্মাণ খাত একটি বড় চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচ্য। সুতরাং প্রদর্শনীগুলো সংশ্লিষ্ট ক্রেতা-বিক্রেতাদের মধ্যে সরাসরি বি-টু-বি যোগাযোগ স্থাপন ও বাণিজ্যের প্রসারে এক ছাদের নিচে নানাবিধ সমস্যার ফলপ্রসূ সমাধান প্রদানের লক্ষ্যে আয়োজিত হচ্ছে।
প্রদর্শনীগুলোতে ৫০০ এর অধিক বুথসহ ২০টি দেশের প্রায় ১৯৫টিরও বেশি কোম্পানি অংশ নিয়েছে বলেও তিনি জানান।
আয়োজক সূত্রে জানা যায়, বহুমাত্রিক প্রদর্শনীগুলো সংশ্লিষ্ট শিল্পক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করে আসছে। পাশাপাশি বি- টু-বি সংযোগ বৃদ্ধির সম্ভাবনাকে ত্বরান্বিত করছে, যা ক্রেতা এবং সরবরাহকারীদের রাজধানী ঢাকায় একই ছাদের নিচে একত্রিত হয়ে পণ্য প্রদর্শন ও একে অপরের সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগাযোগের ওয়ান-স্টপ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে।
প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। পাশাপাশি প্রদর্শনী চলাকালে সংশ্লিষ্ট শিল্পবিষয়ক তিনটি আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।
