প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত হলে ৮০-৯০ শতাংশ জরায়ুমুখ ক্যান্সার রোগী সুস্থ হয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:

প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ নির্ণয় করতে পারলে জরায়ুমুখ ক্যান্সারে আক্রান্ত ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ রোগীকেই সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু বাংলাদেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটে রোগীরা এই রোগ নিয়ে চিকিৎসা গ্রহণে আগ্রহী নন। ফলে বেশির ভাগ রোগী দেরিতে চিকিৎসা নিতে আসে। অথচ বিলম্বে আসলে চিকিৎসার সুফল মিলে না।

সোমবার সকালে চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের উদ্যোগে ‘বিশ্ব জরায়ুমুখ ক্যান্সার সচেতনতা মাস’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। প্রতিবছর জানুয়ারী মাসে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘বিশ্ব জরায়ুমুখ ক্যান্সার সচেতনতা মাস’। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়- ‘আমরা জরায়ুমুখ ক্যান্সার প্রতিরোধ করব’।

চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মো. টিপু সুলতানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন ডেভেলপমেন্ট ফর এডুকেশন সোসাইটি এন্ড হেলথ্ এর চেয়ারম্যান ডা. একেএম ফজলুল হক, বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের গাইনি বিভাগের সাবেক প্রধান অধ্যাপক ডা. শাহানারা চৌধূরী ও ডেভেলপমেন্ট ফর এডুকেশন সোসাইটি এন্ড হেলথ্ এর সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. মো. মুসলিম উদ্দিন সবুজ। বৈজ্ঞানিক সেমিনারে ম‚ল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. ফারজানা চৌধুরী।

বক্তারা বলেন, একটু সচেতন থাকলেই খুব সহজে জরায়ুমুখ ক্যানসার প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়। জরায়ুমুখ ক্যানসার হয় মূলত প্যাপিলোমা ভাইরাস থেকে। সাধারণত এই ভাইরাসটি ছড়ায় ওই ভাইরাস আছে এমন কারও সাথে যৌন মিলনের ফলে। যৌন মিলনের সময় পুরুষদের কাছ থেকে নারীদের দেহে এই ভাইরাসটি ঢুকে যায়। তবে ভাইরাস শরীরে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ক্যানসার হয় না। ক্যানসার হতে বেশ কয়েক বছর লাগতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights