ফেনীতে এখনো জমা হয়নি নিজাম হাজারীর তিনটিসহ ৭ অস্ত্র
ফেনী প্রতিনিধি
ফেনী জেলা প্রশাসক কার্যালয় থেকে ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ১০৫টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছিল। এর মধ্যে অস্ত্র কেনা হয়েছিল ১০০টি। ব্যক্তিপর্যায়ে লাইসেন্স দেওয়া অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে বন্দুক, শটগান, পিস্তল ও রাইফেল। এসব অস্ত্র আওয়ামী লীগ নেতা ও বিশেষ ব্যক্তিদের কাছে ছিল। তারা বিভিন্ন সময়ে এসব অস্ত্র আইনি ও বেআইনি দুইভাবেই ব্যবহার করেছিলেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
সরকারের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী জেলার লাইসেন্স করা অস্ত্রের মধ্যে মোট ৯৩টি আগ্নেয়াস্ত্র বিভিন্ন থানায় জমা দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্সকৃত বাকি সাতটি আগ্নেয়াস্ত্র এখনো জমা দেওয়া হয়নি।
জানা গেছে, ফেনী-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন হাজারীর নামে কেনা লাইসেন্স করা অস্ত্র এখনো জমা দেওয়া হয়নি।
আজ সোমবার ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা প্রশাসনের তথ্যমতে, ছয়টি থানায় ৬৬টি, জেলার বাইরে বিভিন্ন থানায় ২৫টি অস্ত্র জমা পড়েছে। এছাড়া দুটি অস্ত্র জেলা ট্রেজারিতে আগে থেকেই জমা দেওয়া ছিল। গত কয়েক দিনে সবমিলিয়ে মোট ৯৩টি অস্ত্র জমা দেওয়ার তথ্য মিলেছে।
একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, জমা না পড়া লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্রের মধ্যে নিজাম উদ্দিন হাজারী ও তার স্ত্রীর নামে তিনটি এবং সোনাগাজী পৌরসভার সাবেক মেয়র অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম খোকনের দুটি অস্ত্র রয়েছে। জমা না হওয়া বাকি অস্ত্রের মালিকের তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ফেনী জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, ব্যক্তিপর্যায়ে লাইসেন্স দেওয়া অস্ত্রের মধ্যে সাতটি এখনো জমা পড়েনি। ফেনীর ছয়টি থানা ছাড়াও অনেকে দেশের বিভিন্ন থানায় অস্ত্র জমা দিয়েছেন। বিভিন্ন থানায় জমা দেওয়া অস্ত্রের তথ্য এখনো আসছে। সবমিলিয়ে এখন পর্যন্ত ৯৩টি অস্ত্র জমা দেওয়ার তথ্য রয়েছে।
