বগুড়ায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড
নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া
চলমান দাবদাহে কয়েকদিনের ব্যবধানে বগুড়ায় ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। মঙ্গলবার বেলা ৩টার দিকে জেলায় সর্বোচ্চ ৪১ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে বগুড়া আবহাওয়া অধিদপ্তর।
এর আগে, গত ২৬ এপ্রিল বগুড়ায় ৪০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল। ১৯৮৯ সালে ২১ এপ্রিল বগুড়ায় সর্বোচ্চ ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার রেকর্ড করেছিল আওহাওয়া অফিস।
বগুড়া আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক আব্দুর রশিদ জানান, মঙ্গলবার জেলায় ৪১ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এই জেলার ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার এটি। এরকম তীব্র দাবদাহ চলমান থাকবে। বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা খুব কম।
অতীতের রেকর্ড পেছনে ফেলে তাপপ্রবাহ বেড়েই চলেছে। দীর্ঘ হচ্ছে তাপপ্রবাহ। তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে দিনে কমছে আর্দ্রতা। বাতাসে আর্দ্রতা কমায় শুষ্কতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার ফলে অগ্নিকাণ্ডের মতো ভয়াবহ ঘটনা বাড়ার আশঙ্কা বাড়ছে। তাপমাত্র আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়াবিদরা।
এদিকে, তীব্র তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এর প্রভাব পড়ছে জীববৈচিত্র্যের ওপর। তাপদাহে খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষদের কষ্টও বেড়েছে। একটু স্বস্তি পেতে ঠান্ডা শরবত, ডাব, পানি, আইসক্রিম খেয়েও তৃষ্ণা মেটাতে পারছে না মানুষ। এছাড়া পুকুর, জলাশয় ও বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি পান করে তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা করছে পশু-পাখিরা। তবে জরুরি কাজ না থাকলে সহজে কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না। তীব্র দাবদাহে আবাদি জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
শহরে ডাব খেতে আসা পথচারী আয়নুল হক জানান, প্রচণ্ড দাবদাহে কোথাও স্বস্তি মিলছে না। তৃষ্ণা মেটাতে ডাব খেতে এসেছি। ডাবের দাম শুনে আর খাওয়া হলো না। প্রতিটি ডাব ১১০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
