বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বাউবি উপাচার্যের সাক্ষাৎ
গাজীপুর প্রতিনিধি
বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রবিবার দুপুরে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন।
সাক্ষাৎকালে বাউবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন আয়োজনের পরিকল্পনা, প্রস্তুতি ও সার্বিক বিষয়াদি রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে সমাবর্তনের তারিখ ও সময় নির্ধারণের বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সদয় সম্মতি কামনা করেন। এ সময় রাষ্ট্রপতি ২২ মার্চ ২০২৭ তারিখে অনাড়ম্বর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেন।
বাউবির তথ্য ও জনসংযোগ বিভাগের যুগ্ম পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন পাইক রবিবার এ তথ্য জানান।
উপাচার্যের সঙ্গে প্রতিনিধি দলে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. শেখ রফিকুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) টি এম আহমেদ হুসেইন ও প্রোটোকল অফিসার শেখ সাদেকুর রহমান।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান বাউবির বর্তমান একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষা অবকাঠামো, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “দেশের বিশেষায়িত উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় দেশের বৃহৎ জনগোষ্ঠীর কাছে মানসম্মত, সাশ্রয়ী, কর্মমুখী ও জীবনব্যাপী শিক্ষার সুযোগ পৌঁছে দিতে কাজ করে যাচ্ছে।”
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বসহকারে শোনেন এবং শিক্ষা কার্যক্রমের প্রসার, গুণগত মানোন্নয়ন ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান একাডেমিক কার্যক্রম, শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কেও আগ্রহ প্রকাশ করেন।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও প্রেক্ষাপট রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরেন। প্রসঙ্গক্রমে উপাচার্য বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বাউবি চ্যান্সেলর বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯৫ সালে অনুষ্ঠিত বাউবির প্রথম সমাবর্তন এবং ২০০৩ সালে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সমাবর্তনে চ্যান্সেলর হিসেবে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানকে মর্যাদাপূর্ণ ও সাফল্যমণ্ডিত করেছিলেন। তার উপস্থিতি ও সংশ্লিষ্ট সময়ের নেতৃত্বে বাউবির প্রাতিষ্ঠানিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয়।
সাক্ষাৎ শেষে উপাচার্য বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমের অগ্রযাত্রায় রাষ্ট্রপতির সহযোগিতা, দিকনির্দেশনা ও পৃষ্ঠপোষকতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের সার্বিক উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
