বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সুপারিশ ইউজিসির

গোবিন্দ মালাকার,বরগুনা: মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর এড,ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপির ডিও লেটার হস্তান্তরের এক মাসের মধ্যেই বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

গত ৭ সেপ্টেম্বর নিজ হাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ ডিও লেটারটি পেশ করেছিলেন বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু এমপি। একাদশ জাতীয় সংসদের ২৪তম অধিবেশন চলাকালে গত এ ডিও লেটারটি পেশ করেছিলেন।

গত ৪ অক্টোবরের বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ম্যানেজমেন্ট বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমানের স্বাক্ষর করা এক চিঠিতে মৎস্য বিজ্ঞান, দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা, সমুদ্র বিজ্ঞান, জলবায়ু সহনশীল কৃষি ও প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ বিষয় নিয়ে বরগুনায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার জন্য এ সুপারিশ করা হয়।

এ প্রসঙ্গে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, বরগুনার মানুষদের বহুকাঙ্খিত একটি স্বপ্ন হচ্ছে, এ জেলায় একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে। তাদের এ দাবি জাতীয় সংসদেও আমি বহুবার তুলেছিলাম। কিছুদিন আগে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মোস্তফা জামাল ও মো: রফিকুল ইসলাম টুকু সহ গণ্যমান্য কিছু ব্যক্তি আমার সাথে দেখা করে বরগুনায় বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেন। তাদের এ আগ্রহ দেখে আমি খুব খুশি হই।

তিনি আরও বলেন, গত ৭ সেপ্টেম্বর সংসদ অধিবেশন চলাকালেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মেজো ছেলে শহীদ লেফট্যানেন্ট শেখ জামালের নামে বরগুনায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার জন্য আমি নিজ হাতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে একটি ডিও লেটার দেই। সে সময় বরগুনায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা এবং বরগুনার ভৌত অবকাঠামোগত বিভিন্ন উন্নয়নসহ পায়রা ব্রিজের অগ্রগতি নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার আলাপ হয়।

তিনি বলেন, যেহেতু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একসময় এই বরগুনারই সংসদ সদস্য ছিলেন, তাই বরগুনার প্রতি তিনি অত্যন্ত সহানুভূতিশীল। তিনি তখনই আমাকে এই বলে আশ্বস্ত করেছিলেন যে, প্রস্তাবটি তিনি অত্যন্ত সদয়দৃষ্টিতে বিবেচনা করবেন। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আরও একবার প্রমাণিত হলো বরগুনার প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কতটা সহানুভূতিশীল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights