বসুন্ধরার সেলাই মেশিন আমার জীবন বদলে দিয়েছে

অনলাইন ডেস্ক
স্বামী গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে স্বামী পলাশ মিয়া ব্রেইন টিউমারে মারা যান। স্বামী মারা যাওয়ার পর দুই বছরের ছেলেকে নিয়ে খুব কষ্টে পড়ে যান কনিকা। মা-বাবার সংসারে ঠাঁই নেন।

আয়-রোজগারের কোনো পথ নেই তাঁর। নিজেদের কোনো জমিজমাও নেই। বিভিন্ন সময়ে মা-বাবা নানা কথা শোনাতেন। সব কষ্ট মাটিচাপা দিয়ে ছেলেকে বড় করার জন্য বেঁচে থাকার পথ খুঁজতে থাকেন।

নিজেকে স্বাবলম্বীর করার স্বপ্ন দেখেন। একজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে সেলাই প্রশিক্ষণ নেন। এরপর বসুন্ধরা গ্রুপের সহযোগিতায় বসুন্ধরা শুভসংঘের মাধ্যমে বিনা মূল্যে সেলাই মেশিন পান তিনি। সেলাই মেশিন পেয়ে ছয় মাসের মধ্যেই নিজের পাঁয়ে দাঁড়িয়েছেন।

বসুন্ধরার সেলাই মেশিনে কাপড় সেলাই করে সংসার চলছে তাঁর। প্রতিদিন এখন তাঁর আয় হয় ৩০০ টাকা। কাঁদতে কাঁদতেই এসব জানাচ্ছিলেন বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার বিধবা নারী আকতার জাহান কনিকা। তিনি বলেন, ‘বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে আমাকে বিনা মূল্যে সেলাই প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বিনা মূল্যে সেলাই মেশিনও দিয়েছে তারা।

বসুন্ধরা গ্রুপ আমাদের মতো অসচ্ছল নারীদের পাশে এভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে, তা কখনো ভাবিনি। বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান স্যার ও তাঁর পরিবারের সবার জন্য অনেক দোয়া করি, আল্লাহ যেন তাঁদের নেক হায়াত দান করেন। বসুন্ধরার দেওয়া সেলাই মেশিন আমার জীবন বদলে দিয়েছে। বসুন্ধরা শুভসংঘ শুধু আমাকে নয়, আমার মতো আরো অনেক বিধবা ও অসচ্ছল নারীকে স্বাবলস্বী করছে। স্বামীহারা শত শত নারীর পাঁশে দাঁড়াচ্ছে। অভাব-অনটনের সংসারে আশার আলো জ্বালিয়েছে মানবিক বসুন্ধরা গ্রুপ।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights