বাকলিয়ায় শিশু ধর্ষণ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ ৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ
নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম:
চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ আরও তিনজনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। এ নিয়ে মামলাটিতে মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলো।
রবিবার চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমার আদালতে এসব সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সোমবার মামলাটি ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামির পরীক্ষার জন্য ধার্য রয়েছে।
ট্রাইব্যুনালের পিপি মাহমুদ-উল আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তাসহ তিনজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজন চিকিৎসক রয়েছেন। এ নিয়ে মামলায় মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। তিনি বলেন, আগামীকাল মামলাটি আসামির ৩৪২ ধারায় পরীক্ষার জন্য ধার্য রয়েছে। এ পর্যায়ে আদালত মামলার সাক্ষ্য-প্রমাণের বিষয়ে আসামির বক্তব্য শুনবেন। পাশাপাশি তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনে কোনো বক্তব্য বা সাক্ষ্য উপস্থাপন করবেন কি না, সে বিষয়ে তাঁকে সুযোগ দেওয়া হবে।
আদালত সূত্র জানায়, গত ৯ জুন মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। এর পর ১১ জুন ছয়জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেনের বয়স ৩০ বছর। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার ঘারঘাটা এলাকার বাসিন্দা। তবে তিনি চট্টগ্রাম বাকলিয়া এলাকার মিয়াখাননগরে বসবাস করতেন।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ মে বিকেলে বাকলিয়া থানার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের নুর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠসংলগ্ন একটি গুদামকক্ষে চার বছর বয়সী ওই শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মেহেদী হাসান বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা করেন। পুলিশ জানায়, তদন্তে পাওয়া সাক্ষ্য-প্রমাণ, চিকিৎসা প্রতিবেদন, ডিএনএ রিপোর্ট এবং ভুক্তভোগী ও আসামির জবানবন্দি পর্যালোচনা করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।
