বিদায়ের আগে যা বললেন আলী রীয়াজ

অনলাইন ডেস্ক
রাষ্ট্র সংস্কার ও গণতান্ত্রিক উত্তরণের গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায় শেষে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ দায়িত্ব থেকে বিদায় নিয়েছেন। বিদায়বার্তায় তিনি বলেন, অন্যান্য গণতান্ত্রিক উত্তরণের জন্য ব্যক্তিগতভাবে দীর্ঘ সময় ধরে সীমিত সাধ্য দিয়ে চেষ্টা করেছেন এবং সেই ধারাবাহিকতায় দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। এই ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় সামান্য অবদান রাখতে পেরে তিনি গর্বিত বলেও উল্লেখ করেন।

বিদায়ের সময় তিনি বলেন, এই প্রক্রিয়ায় সকলের সহযোগিতা পেয়েছেন। নানা আলোচনা সমালোচনা তাকে এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। যেসব কমিশনে কাজ করেছেন, সেখানে যুক্ত কর্মকর্তা কর্মচারী এবং সহযোগীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তিনি। নিজের সীমাবদ্ধতার জন্য ক্ষমা চেয়ে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন অধ্যাপক আলী রীয়াজ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়ায় গণমাধ্যম সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

গত বছরের ১৩ নভেম্বর নিয়োগ পেয়ে অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ পূর্ণ মন্ত্রী বা উপদেষ্টার পদমর্যাদায় প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। এই সময়ে তিনি উপদেষ্টার মর্যাদা, বেতন ভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করেন। একই পদমর্যাদায় নিয়োগ পাওয়া প্রধান উপদেষ্টার দুই বিশেষ সহকারীর একজন ছিলেন তিনি। অপরজন ড. খলিলুর রহমান।

এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্র সংস্কারের অংশ হিসেবে ছয়টি কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন। সে সময় সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে ড. শাহদীন মালিকের নাম উল্লেখ করা হলেও পরে তার স্থলে অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনের সভাপতি ছিলেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Verified by MonsterInsights